ব্রেক্সিট চুক্তিতে সম্মত ইইউ, মে’কে সমর্থন দেওয়ার আহ্বানইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) চুক্তি অনুমোদন করেছেন ইইউ নেতারা। একইসঙ্গে এ চুক্তি প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে’কে সমর্থন দেওয়ার জন্য ব্রিটিশদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন তার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ টি দেশের নেতারা রোববার ব্রাসেলস সম্মেলনে ১ ঘণ্টারও কম সময়ের আলোচনায় ব্রেক্সিট চুক্তিতে সম্মত হন।

এর আগে শনিবার জিব্রালটার নিয়ে স্পেনের শেষ মুহূর্তের উদ্বেগ দূর হওয়ার পর চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পথে সব বাধা দূর হয়ে যায়।

পরে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড তুস্ক টুইটারে নেতারা চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন বলে ঘোষণা করেন।

চুক্তিটি এখন যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্টে পাস হতে হবে। চুক্তির বিরোধিতা করছেন অনেক ব্রিটিশ এমপি।

ইইউ বৈঠকে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে ইইউ’য়ের সদরদপ্তর ব্রাসেলসে গেছেন।

যুক্তরাজ্য ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার তারিখ নির্ধারণ করেছে। ২০১৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ৫১ দশমিক নয় শতাংশ ভোট পড়ার পর যুক্তরাজ্য ইইউ ছাড়ার শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করে।

এরপর দুপক্ষে ১৮ মাসেরও বেশি সময়ের আলোচনার পর এ ব্রেক্সিট চুক্তি হল। রোববার ইইউ নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে ৬০০ পাতার এ পাকা চুক্তি করেন। এতে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন নির্দেশনা আছে। এছাড়াও আছে দুপক্ষের ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে ২৬ পাতার একটি ঘোষণাপত্র।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে চুক্তিতে পার্লামেন্টের সমর্থন পাবেন- এমনটিই মনে করছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যঁ ক্লদে জাঙ্কার। তবে মে চুক্তিতে সমর্থন পেতে ব্যর্থ হলে কি হবে সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলেননি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ডিসেম্বরের শুরুর দিকেই চুক্তিটি নিয়ে ভোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এটি যে পাস হবেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ, বিরোধীদল লেবারপার্টি ও অন্যান্য দলগুলোসহ অনেক কনজারভেটিভ এমপি’ও চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেওয়ার আশঙ্কা আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য