হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষকের মামলাঃ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলহাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান জামিলের মিথ্যা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীবৃন্দ ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের নেতা তারেক,পলাশ,রবি,স্বপন এর নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে রাত নয়টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপুর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।শতাধিক নেতাকর্মীর শ্লোগানে কম্পিত হয় ক্যাম্পাস ।এসময় তাঁরা জামিলের কালো হাত ভেঙ্গে দাও ,গুঁড়িয়ে দাও ‘ষড়যন্ত্রকারীর কালো হাত ভেঙ্গে দাও ,গুড়িয়ে দাও ।

মিছিল শেষে ছাত্রলীগ নেতারা বলেন বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। তাই পরিকল্পিত ভাবেই ছাত্রলীগ নেতাদের নাম জড়িয়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা সাজানো হয়েছে।এই শিক্ষক তার স্ত্রীকে দিয়ে এর আগেও এসব কাজই করিয়েছে।

আপনারা জেনে থাকবেন এই হাসান জামিল জেনিথ তার স্ত্রী সাবরিনা মুস্তাফিজকে বিভিন্ন সময়ে তার অনুষদের সিনয়র শিক্ষক, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও এ্যাডভাইজারকে জড়িয়ে শ্লীলতাহানির মিথ্যা নাটক সাজিয়েছিলেন। এক সময় যারা বিএনপি জামাতের হয়ে নির্বাচন করেছে তাদেরকে আমাদের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী বানানো হয়েছে। এরা চায়না বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলুক।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি জামাতের কিছু সংখ্যক শিক্ষক নির্বাচনের আগে ক্লাস পরীক্ষা না নিয়ে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সেশন জটের সম্মুখীন হচ্ছে।ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে ।বহির্বিশ্ব ক্যাম্পাসের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সেটা কোনদিন মেনে নিবে না ।

আমরা সাধারন শিক্ষার্থীদের এসব বিষয় বিবেচনা করে ক্যাম্পাসের পরিবেশকে সমুন্নত রাখতে আগামী বরিবার থেকে এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো।মামলার ৩ নম্বর আসামী ছাত্রলীগ নেতা রবিউল ইসলাম বলেন, আমাকে এই মিথ্যা মামলায় কেন ফাঁসানো হয়েছে ।তার সঠিক জবাব আমাকে দিতে হবে ।তার কাছে আমার প্রশ্ন ?তিনি তো সদ্য পদন্নোতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে কেউ না , তাহলে তিনি কেন রাতে প্রশাসনিক ভবনে আসবেন। আর একজন শিক্ষক কি পরিমান নিচে নামলে সব সময় সব কিছুতেই নিজের স্ত্রীকে ব্যবহার করতে পারেন তা আমার জানা নেই। এমনকি ওই শিক্ষক মামলায় তার স্ত্রীর গলার চেইন চুরির অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে দিতে পারে ।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে কতটা ছোট মনে করলে একজন শিক্ষকের পক্ষে এসব করা সম্ভব তা আপনারাই বিবেচনা করবেন।এসবের উপযুক্ত প্রমাণ না দিলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করতে বাধ্য হবে ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য