ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন আবেদন করেননি আইনজীবীরামানহানির মামলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আদালতে হাজির করা হলেও শুনানী হয়নি। আগামি বছরের ১০ জানুয়ারী মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদেরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল মালেক।

তিনি জানান, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানীর জন্য ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আদালতে নেয়া হলেও তার আইনজীবীরা জামিন আবেদনের জন্য উপস্থিত ছিলেন না।

বিচারক আরিফা ইয়াসমিন মুক্তা মানহানির এ মামলাটি তার নিজ আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠনের জন্য আগামি বছরের ১০ জানুয়ারী তারিখ নির্ধারণ করেন।

এরআগে সকাল থেকে আদালত এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজন ভ্যানে করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। হাজিরা শেষে প্রিজন ভ্যানে করে আবারো তাকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।

এদিকে সকাল থেকে সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের আদালতের ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা। এতে সাংবাদিকদের মধ্য ক্ষোভ তৈরি হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা দুঃখ প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভির রাতের টক-শো একাত্তর জার্নালে দৈনিক আমাদের নতুন সময় এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে মানহানিকর মন্তব্য করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।

এ ঘটনায় ২২ অক্টোবর রংপুরে তার বিরুদ্ধে একটি দশ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন রংপুরের এক নারী অধিকারকর্মী। ওই দিনই সন্ধ্যায় ঢাকায় মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

পরে ৩ নভেম্বর ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ঢাকা থেকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। ৪ নভেম্বর রংপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের তোলা হলে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য