পলাশবাড়ীতে চলতি শীত মৌসুমে বাড়ছে লেপ তৈরির কারিগরদের কর্মব্যস্ততাআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি শীত মৌসুমে ক্রমেই বাড়ছে লেপ তৈরির কাজে নিয়োজিত পেশাজীবি ধুনকর কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। ইতোমধ্যেই ঘটেছে শীতের আগমনি বার্তার পদযাত্রা।

দিনের ব্যবধানে প্রতিনিয়ত ক্রমেই লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে শীত অনুভূতির মাত্রা।বিকেল গড়াতে না গড়াতেই রৌদ্রতাপ কমতে থাকে।ঘন কুয়াশাছন্ন হয়ে পড়ে খোলা আকাশ।

অন্যান্যবারের তুলনায় এবারে মৌসুমের শুরুতেই শীতের তীব্রতার মাত্রা বাড়তে থাকায় সদরে একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া স্থানীয়রা সকাল-সকালেই তাদের বাসা-বাড়ীতে ফিরছেন।

নিম্নবিত্ত ছাড়া মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তসহ সামর্থ্যবান পরিবার গুলোর মাঝে শীত নিবারনে লেপ বানানোর রীতিমত ধূম পড়েছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা সদরে লেপ তৈরির একমাত্র চিহ্নিত পয়েন্ট উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার জুড়ে টাউনহল চত্বর। সদর ও শহরতলী ছাড়াও গ্রাম-গঞ্জ থেকে লেপ তৈরী করতে আসা নানা শ্রেণী-পেশার লোকজনের পদচারনাও বাড়ছে প্রতিদিন।

প্রতি বছরের ন্যায় চলতি শীত মৌসুমে লেপ তৈরির পরিমাণ বাড়ার সাথে-সাথে বাড়ছে পেশাজীবি ধুনকর কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। উপজেলা পরিষদ চত্বরে দীর্ঘবছর ধরে পারিবারিক ভাবে লেপ তৈরির পেশায় নিয়োজিত সদরের হরিণমারী গ্রামের ধুংকর রাজু মিয়া জানান আজকাল শীত মৌসুম ছাড়াও প্রায় সারাবছরেই কম-বেশি লেপ তৈরির কাজ চলে থাকে। তবে তা অত্যন্ত ধীরগতিতে।

প্রকৃতির বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গত বছরের তুলনায় একটু আগে-ভাগেই লেপ তৈরির চাহিদা অনেকটা বেড়েছে।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে আবহাওয়া সম্পর্কে রাজু বলেন এবারে সম্ভাব্য শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। আবহাওয়ার পরিবর্তনে কিন্তু তা বেশিদিন স্থায়ীত্ব নাও থাকতে পারে।

সে জানায় লেপ তৈরিতে ব্যবহৃত বরাবরের মত লালসালু ও অন্যান্য কাপড় এবং শিমুল ছাড়াও বিভিন্ন মানের গার্মেন্টস তুলার খুচরা মূল্য আগের মতই স্বাভাবিক ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য