থেরেসা মেইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া নিয়ে তৈরি খসড়া চুক্তিতে ব্যবসায়ী নেতাদের সমর্থন চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। গতকাল সোমবার লন্ডনে দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক সংগঠন সিবিআই’র বার্ষিক সম্মেলনে দেওয়া এ বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রেক্সিট চুক্তির আওতায় অভিবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে। তরুণ ব্রিটিশদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসা যেটা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত তা নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন থেরেসা মে। তার এই চুক্তির বিরোধিতা করে এরই মধ্যে তার মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী। মে’র পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। যদিও তিনি জানিয়েছেন সময়সুচি অনুযায়ী ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে কাজ চালিয়ে যাবেন। খবর:বিবিসি।

মে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, চুক্তি অনুসারে ব্রিটেনে অভিবাসন কমে আসবে। দক্ষতার ভিত্তিতেই অভিবাসন হবে। তিনি জানান, ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার চুক্তি নিয়ে ব্রাসেলসে আর কোনো আলোচনা করতে চান না। আগামী ২৫ নভেম্বর এই চুক্তির বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের সমর্থন আদায়ের জন্য চেষ্টা করবেন প্রধানমন্ত্রী মে।

সেখানে অনুমোদন পেলে তিনি ব্রিটেনের পার্লামেন্টে এমপিদের সমর্থনের জন্য তুলবেন। সেটা ডিসেম্বর নাগাদ হতে পারে। তবে আপাতত মনে হচ্ছে, তার এই চুক্তিটি হয়তো পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হবে। রক্ষণশীল দল থেকে তিনি যেমন পর্যাপ্ত সমর্থন পাচ্ছেন না, তেমনি অন্য দলের এমপিরাও এই চুক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট নন। সিবিআই সম্মেলনে মে ছাড়াও লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বক্তব্য রাখেন।

সময়সুচি অনুযায়ী এই বিচ্ছেদ ঘটবে ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে অন্তর্বর্তী সময়। যদিও ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সময়টা ২০২২ সালে গড়াতে পারে। এদিকে ব্রিটেনকে ইউরোপের মন্ত্রীরা বলেছেন, এখন বেক্সিটের জন্য আরো ভালো কোনো চুক্তি নেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য