রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞে দোষীদের বিচারে কোনও অজুহাত অগ্রহণযোগ্যমার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ নিয়ে মিয়ানমারের কোনও অজুহাতই মেনে নেওয়া যায় না। বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির সঙ্গে এক বৈঠকে একথা বলেন তিনি।

গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ লাখ মানুষ।

সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা নিপীড়নের ঘটনায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করা হয়েছে। এছাড়া বেসামরিক সর্বোচ্চ নেতা অং সান সু চিরও সমালোচনা করে বলা হয়েছে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ ঠেকাতে নিজের নৈতিক অবস্থান ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

সিঙ্গাপুরে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সম্মেলনের সাইডলাইড বৈঠকে বসেন সু চি ও পেন্স। মাইক পেন্স বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে মিয়ানমারের অগ্রগতির ব্যাপারে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র। সু চিকে তিনি বলেন, ‘যে সহিংসতার কারণে বাংলাদেশে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে, তার পক্ষে কোনও অজুহাতই থাকতে পারে না।’

জবাবে সু চি বলেন, িএই বিষয়ে একেকজনের দৃষ্টিভঙ্গি একে করকম। সবার মতে ভিন্নতা রয়েছে।

পেন্স আরও বলেন, মিয়ানমারে সংবাদমাধ্যমের জন্য স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্সের দুই সাংবাদিক আটকের বিষয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তবে সাংবাদিকদের নাম উচ্চারণ করেননি তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বলেছিলেন, সু চি তাদেরকে সমর্থন দিচ্ছেন যাদের কোনভাবেই সমর্থন দেওয়া যায় না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য