বিরলে  ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প প্রদর্শনীরবিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বিরলে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) এর আওতায় বাস্তবায়িত প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠ দিবসে মৎস্য চাষ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার বিকালে উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র চকবিষ্ণপুর গ্রামের সিবিজি কার্প মিশ্র চাষ পুকুড় পাড়ে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মেজবাউল হক।

বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) এর উপ-পরিচালক মোঃ বদরুজ্জামান মানিক, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, মৎস্য অফিসার কুষিবীদ পূরবী রাণী রায়, রাণীপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আজম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তৈয়ব আলী, বোর্ডহাট মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আরিফ ইকবাল, একটি খামার একটি বাড়ী প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ নাহিদুজ্জামান, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক শামু, সমিতির সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর রায় প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অনুকূল চন্দ্র সিনহা।

প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে মেজবাউল হক বলেন, বর্তমান সরকার আপনাদের জন্য সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা প্রস্তুত করে রেখেছে। আপনাধের সুযোগ সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে মৎস্য চাষকে সম্প্রসারণ করতে হবে। মৎস্য চাষের জন্য আপনাদের প্রথমে পুকুরটি প্রস্তুত করে নিতে হবে।

আপনাদের মাছের পোনা বড় ছাড়তে হবে। দুইশত গ্রাম থেকে আড়াইশত গ্রামের পোনা ছাড়লে অল্প সময়ের মধ্যে বড় হবে। এক পোয়া ওজনের মাছকে ছোট পোনা মাছ এবং এক কেজির অধিক ওজনের মাছকে বড় মাছ হিসাবে গণ্য করতে হবে।

দ্বিতীয়ত আপনাদের ছোট পোনা মাছ খাওয়া বন্ধ করে বড় মাছ খেতে হবে। তৃতীয়ত আপনাদের পুকুরে নিয়মিত খাবার দিতে হবে। শুধু পুকুরে পানি থাকলে হবে না খাওয়ারও থাকতে হবে। আর দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষেও আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত আছে। আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানে যোগাযোগ রাখবেন, নিশ্চয় লাভবান হবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য