অর্থের অভাবে ক্যানসার আক্রান্ত তনুশ্রী’র চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহতকুড়িগ্রামে অসহায় এক মৃৎ শিল্পীর ক্যান্সার আক্রান্ত কন্যা বাঁচার আকূল আকূতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করেছে।

রোববার সকালে কুড়িগ্রাম প্রধান ডাকঘরে নিজ হাতে লেখা একটি চিঠি পোস্ট করেছে সে। সাথে বঙ্গবন্ধুর আঁকা ছবিও পাঠিয়েছে মনের সমস্ত রং-তুলি ছুঁইয়ে। জেএসসি পরীক্ষার্থী এই মেধাবী শিক্ষার্থীটি এর আগে পিএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এখন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছে। তার নিভু নিভু জীবন প্রদীপ জ্বালানোর জন্য সহায়তার হাত বাঁড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে তার পরিবারসহ সহপাঠীরা!

জানা যায়, কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার কৃঞ্চপুর কুমারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃৎশিল্পী প্রশান্ত কুমার পালের দু’কন্যার মধ্যে প্রথম কন্যা তনুশ্রী পাল (১৪) বর্তমানে বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালের ১৮ মার্চ রংপুর ডক্টরস হসপিটালে ডা: আনোয়ার হোসেন ও ডা: স্বপন কুমার নাথ তনুশ্রীর ‘লিভার অভারী টিউমার’ অপারেশন করেন। পরবর্তীতে টিস্যু টেস্টে ‘ক্যান্সার’ রোগ সনাক্ত হয়।

এরপর থেকে ভারতের কলকাতা কেয়ার ভিশন হাসপাতালে ও পরে হাওড়া নারায়ণা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসক অরুনা শংকর রায়, অরুণাভ রায় ও পার্থ প্রতীম সেন এর যৌথ তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। জায়গা-জমি বিক্রি করে চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করলেও বর্তমানে আর্থিক দৈন্যতার কারণে আটকে আছে তার চিকিৎসার কার্যক্রম। টাকা সংকুলান করতে না পেরে মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন অসহায় পিতা প্রশান্ত পাল।

মেয়েটির চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রধানমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্যের জন্য নিজ হস্তাক্ষরে বাঁচার আকুতি জানিয়ে একটি চিঠি লিখেছে তনুশ্রী পাল। জানিয়েছে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ও বাঙলার মানুষের মমতাময়ী মা তাকে সুস্থ্য-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য কি পাশে দাঁড়াবে না।

মৃত্যুভয় আর আশংকার চাদরে ঢাকা এই দুরন্ত কিশোরীটির বেঁচে থাকার প্রতিটি মূহুর্ত নির্ভর করছে কোন সহ্নদয় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের একটু আর্থিক সহায়তার উপর। আমরা কি তনুশ্রীর পাশে দাঁড়াতে পারি না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য