যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসী ঠেকাতে অস্ত্রধারী মিলিশিয়ারামেক্সিকো হয়ে সেন্ট্রাল আমেরিকান অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন অস্ত্রধারী মিলিশিয়ারা। সীমান্তে নিজেদের কাফেলা তৈরির জন্য তারা শীতাতপ যন্ত্র ও তাঁবু, বন্দুকে তেল লাগানো এবং ড্রোন প্রস্তুত করছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এখবর জানিয়েছে।

সীমান্তে অভিবাসীদের কাফেলা ঠেকাতে মার্কিন জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিবাসীদের এই প্রবেশকে ‘দখল অভিযান’ আখ্যায়িত করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, নারী, শিশু ও পরিবারের আড়ালে অসংখ্য ‘অজ্ঞাত মধ্যপ্রাচীয়রা’, ‘শক্তিশালী যোদ্ধারা’ এবং ‘সহিংস অপরাধীরা’ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করছে।

শ্যানন ম্যাকগাউলি নামের ডালাসের এক বাসিন্দা জানান, আমরা সেখানে পর্যবেক্ষন করব এবং কোনও সহযোগিতা দরকার হলে করব। আমরা আগেও নিজেদের প্রমাণ করেছি, আবারও করব।

টেক্সাস মিনিটম্যান সংগঠনের সভাপতি ম্যাকগাউলি আরও জানান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা ও দেশকে সুরক্ষায় তারা প্রেসিডেন্টের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন। সীমান্তের রিও গ্রান্ডেতে টেক্সাস মিনিটম্যান সংগঠন থেকেই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী তাদের কাফেলায় জড়ো হবেন।

ম্যাকগাউলি বলেন, সঠিক সংখ্যা বলতে পারছি না। গত সাতদিন ধরে আমার ফোন বেজেই চলছে। ওরেগন, ইন্ডিয়ানাসহ অন্যান্য অঞ্চল থেকে মিলিশিয়া ও স্বামী-স্ত্রীরা সীমান্তে যেতে চাইছেন। কানাডা থেকেও দুজন এসেছেন।

তাদের দলটি অস্ত্র বহনের পরিকল্পনা করছে কিনা জানতে চাইলে ম্যাকগাউলি হেসে বলেন, ‘ভাই, এটা টেক্সাস’।

সীমান্তে বর্ডার পেট্রোল, পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে রয়েছে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা। তবে সীমান্তে অনিয়ন্ত্রিত মিলিশিয়াদের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন সেনারা। তাদের পরিকল্পনাতেও এই উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন সেনা পরিকল্পনায় অন্তত ২০০ মিলিশিয়া হাজির হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অনিয়ন্ত্রিত মিলিশিয়ারা ন্যাশনাল গার্ডের সরঞ্জাম চুরি করতে পারে।

রিও গ্রান্ডে ভ্যালি সেক্টরে বর্ডার পেট্রোল এজেন্সির শীর্ষ কর্মকর্তা ম্যানুয়েল পাদিলা জানান, মিলিশিয়াদের বিষয়ে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাননি। আমরা অতীতে তাদের দেখেছি। কিন্তু যখন সবকিছু দ্রুত আগাচ্ছে তখন আমাদের স্থানীয় কমিউনিটিকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে। তারা যা করছে নিজেরা করছে।

স্থানীয় অনেক ভূমি মালিক জানিয়েছেন, তারা সেখানে মিলিশিয়াদের দেখতে চান না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য