মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও : বিয়ের আড়াই মাসের মাথায় সুশীলা রানী(২২) নামে এক নববধূর লাশ বাড়ির টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের দেওগাঁও ছেতনাই গ্রামে ওই নববধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে শশুড় বাড়ির টয়লেট থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সুশীলা রুহিয়া থানার আশারু শিং এর মেয়ে।

তবে নিহতের স্বজনদের অভিযোগ,সুশীলাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন।

এলাকাবাসী জানায়, আড়াইমাস আগে দেওগাঁও গ্রামের সঙ্কর চন্দ্রের ছেলে বিপুল চন্দ্রের সাথে বিয়ে হয় ঝাঁড়গাঁও গ্রামের সুশীলা রানীর। বৃহস্পতিবার ভোরে বিপুল চন্দ্রের বাড়ির টয়লেট থেকে সুশীলার মরদেহ দেখে চিৎকার করে পরিবারের লোকজন।

এদিকে সুশীলার স্বজনদের দাবি, নেশা ও পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় শারীরিক নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে বিপুলের পরিবার। তবে বিপুল এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার এস আই ফিরোজা বলেন, লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য