বীরগঞ্জ পৌর শহরে ট্রাফিক ব্যাবস্থার গণদাবি উঠেছেবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ বীরগঞ্জে আইন শৃংখলার অবস্থার উন্নয়নে পুলিশ ফারি ও পৌর শহরে ট্রাফিক ব্যাবস্থার জন্য নবাগত জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ১৬ অক্টোবর বিকেলে দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধি, ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় দিনাজপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ মাহামুদুল আলম এর কাছে এ দাবি জানান বক্তাগন। জেলা প্রশাসক ন্যায় সংগত দাবি পুরনে আশ্বস্থ করেন।

দিনাজপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ মাহামুদুল আলমের দৃষ্টি আর্কশন করে বক্তাগন সকলে বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বাবা ১৯৯৬ইং সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ডাক, তার ও টেলি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী মরহুম আব্দুর রৌফ চৌধুরী বীরগঞ্জ শহরে ট্রাফিক ব্যাবস্থা চালু করেছিলেন কিন্ত অজ্ঞাত করনে পরবর্তীতে প্রত্যাহার করা হয়। পুনরায় শহরে ট্রাফিক ব্যাবস্থা চালু করার জোর দাবি করা হয়।

বীরগঞ্জ পৌর শহরের মধ্য দিয়ে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়ক হওয়ার কারনে ঢাকাগামী নৈশ্যকালিন ও দিবাকালিন শতশত কোচ, বিভিন্ন জেলা শহর থেকে চলাচল করে শতশত বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মটর সাইকেল, মালবাহী ট্রাক, ট্রাকটর, ভটভটি, নছিমন, করিমন, পাগলু, অটো রিক্সা, রিক্সা-ভ্যান, বাই সাইকেলসহ যান-বাহন ও পায়েদল মানুষ চলাচল করে। এই শহরে বাস টারমিনাল বা অন্য যানবাহনের কোন স্ট্যান্ড নেই। মহাসড়কের পাশে দাড়িয়ে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানামা, ট্রাক বা মালবাহী যানবাহন মালামাল উঠানামা করে যানযটের সুষ্টি করছে।

একই সময়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কিন্ডার গার্টেন, প্রাইভেট বা কোচিং (এ) যাতয়াত করছে কোমলমতি শিশু, কিশোর, তরুন হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক/শিক্ষিকা সরকারী/বেসরকারী কর্মচারী ও ব্যাবসী মহল । হাটবাজার গামী হাটুরে, অফিস আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যাস্ততার কারনে দ্রুত চলাফেরা করার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হচ্ছে, ঝরে যাচ্ছে অনেক তাজা প্রান। মুক্তিযোদ্ধা বিজয় চত্বর সংলগ্ন মহাসড়কে অনেকের একমাত্র প্রানপ্রিয় সন্তান, ভাই/বোন, বাবা/মা ও আত্মীয়/স্বজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বীরগঞ্জ পৌরসভা থেকে উত্তরে উপজেলার দুরত্ব ৪০ কিলোমিটার হওয়ার কারনে তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশের পক্ষে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়না। ভোক্ত-ভোগিদের দাবির প্রেক্ষিতে শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে মরহুম ধজির উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক ও আজিজুল ইসলাম ২জন দাতা কয়েক বছর আগেই পুলিশ ফারির অনুকুলে প্রয়োজনীয় জমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন কিন্তু অজ্ঞাত কারনে জনতার দাবি পুরন হয়নি।

প্রস্তাবিত পুলিশ ফারিটির বিপরিতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ বা নির্মান কাজের ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়নি। বক্তাগন আইন শৃংখলা উন্নয়নের স্বার্থে জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ ফাঁরি স্থাপনের জোর দাবি জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য