ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা দিনাজপরে শীতের আগমনডেক্স রিপোর্টঃ ঋতু শরৎকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। সাদা কাশফুলে পড়ছে হেমন্তর শিশির বিন্দু। সকালে দেখা মিলছে সাদা কুয়াশার ভেলার। এই কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের বার্তা। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে ভোরের সোনারাঙা রোদ। আর বিকেল পাঁচটা না বাজতেই গোধূলী লগ্ন পেরিয়ে জলদিই নেমে আসছে সন্ধ্যা।

ভোরের দিকে প্রকৃতিতে শিশিরের দেখা মেলে। শিশিরে ভেজা ভোর যেনো জানান দিলো ধীর পায়ে আসা শীতের কথা। কিছুটা হলেও প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনের কথা। কয়েক দিন থেকে রাতের দিকে কমতে হালকা শীত অনুভুত ভোর পর্যন্ত।

বাংলা ক্যালেন্ডারে চলছে কার্তিকের ২য় সপ্তাহ। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই এবার শীত পড়তে শুরু করবে। সকালে সড়ক মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

সৃষ্ট দু’টি নিম্নচাপের কারণে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে দিনাজপুরসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায়। এর প্রভাবে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় বেশ ফারাক দেখা দেয়।

দিনের বেলা রোদ থাকলেও রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে মাঝারী কুয়াশার সাথে হিমেল বাতাসে শীতের পরশ অনুভূত হতে থাকে। ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় মাঠ।

শীতের আগমনী বার্তায় মৌসূমী শীতবস্ত্র ব্যবসায়ীরা তাদের পুরাতন কাপড়ের পসরা সাজাতে শুরু করেছে। আর কিছুদিন পরই শুরু হয়ে যাবে তাদের জমজমাট ব্যবসা। এরই মধ্যে লেপ-তোষক কারিগররা তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষ বলেন, নভেম্বর মাসে দেশে হাড় কাঁপানো শীত খুব একটা পড়ে না। এর কারণ হচ্ছে সূর্য যতো দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে যাবে শীতের তীব্রতা ততটাই বাড়তে থাকবে। তাছাড়া দিনের ব্যাপ্তি কমে আসায় সাধারণত ডিসেম্বর মাস থেকেই বাংলাদেশে শীত পড়তে শুরু করে।

তখন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে বাতাস বাংলাদেশের দিকে আসায় তাপমাত্রা আরও কমে আসে। এর সঙ্গে যদি সাইবেরিয়া থেকে আসা হিমেল বাতাস যোগ হয় তাহলেই হাড় কাঁপানো শীত পড়বে। তাই এমন পরিস্থিতি ডিসেম্বরের আগে সাধারণত হয় না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য