বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ গত রবিবার দিবাগত গভীর রাতে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে নিজের ভাবী শিমু খাতুন (২০)কে হত্যা করেছে দেবর ওয়াসীম (২০)।

এ বিষয়ে গ্রেফতারকৃত ওয়াসীমের স্বাীকারোত্তির ভিত্তিতে আজ মঙ্গবার বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহমান জানান, গত ২বছর পূর্বে বোচাগঞ্জ উপজেলার ৩নং-মুর্শিদহাট ইউনিয়নের চাপাইতোর গ্রামের বসবাসকারী মোঃ হামিদুল ইসলামের মেয়ে শিমু খাতুনের সাথে মুর্শিদহাট রেলকলনী পাড়া গ্রামের বসবাসকারী ইমানদ্দির বড় ছেলে মনির হোসেন (২২) এর সাথে বিবাহ হয়।

বিবাহের কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর শিমু খাতুনের সাথে মনিরের ছোট ভাই মোঃ ওয়াসীমের পরকীয়া সম্পর্ক শুরু হয়। গত তিন মাস ধরে শিমু খাতুনের সাথে ওয়াসীমের সম্পর্ক ভাল যা”িচ্ছলোনা।

এরই মধ্যে গত ২১ অক্টোবর রবিবার শিমুর ভাগ্নি শিমুর স্বামীর বাড়ী থেকে শিমুকে তার নানার বাড়ী চাপাইতোরে নিয়ে যায়।

শিমু স্বামীর বাড়ীতে ফিরে আসতে দেরী হওয়ায় শিমুর স্বামী মোঃ মনির হোসেন তার ছোট ভাই ওয়াসীমকে ফোন করে তার ভাবী বাসায় আসবে কিনা জান্তে বলে।

ওয়াসীম অন্যের ফোন থেকে তার ভাবীকে ফোন দিয়ে বাসায় আসার কথা বললে শিমু খাতুন বলে আমি তোদের সংসার করবো না। আমাকে একজন একলক্ষ টাকা দিবে আমি তার সাথে চলে যাব।

এই ঘটনার পর ওয়াসীম ক্ষীপ্ত হয়ে রাতেই শিমুর বাবার বাসায় গিয়ে শিমুকে ঘুম থেকে ডেকে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু শিমু তাতে রাজি না হওয়ায় ওয়াসীম ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে গত ২২-১০-২০১৮ ইং তারিখে নিহত শিমুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। যাহার নং-০৯, ধারা ৩০২ দঃবিঃ। এ বিষয়ে গতকাল দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে বোচাগঞ্জে বাবার বাড়ী থেকে বিবাহিত মেয়ের লাশ উদ্ধার শিরনামে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য