11 20 18

মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

Home - জেনে রাখুন - প্রাকৃতিকভাবে স্ট্যামিনা বাড়াতে কী করবেন

প্রাকৃতিকভাবে স্ট্যামিনা বাড়াতে কী করবেন

প্রাকৃতিকভাবে স্ট্যামিনা বাড়াতে কী করবেনকাজের চাপ যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে আপনার পরিশ্রমের ক্ষমতা? ক্লান্তি এমনভাবে গ্রাস করছে যে কোনও কাজে হাত দেওয়ার মতো মনের জোর খুঁজে পাচ্ছেন না? এইরকম পরিস্থিতির অর্থ হচ্ছে আপনার স্ট্যামিনা কম৷ স্ট্যামিনা বেশি থাকলেই একমাত্র আপনি শারীরিক ও মানসিক চাপের সঙ্গে শিরদাঁড়া সোজা করে লড়াই চালাতে পারবেন৷

App DinajpurNews Gif

স্ট্যামিনা বলতে আমরা সাধারণত শারীরিক কর্মক্ষমতার কথাই বুঝি, কিন্তু স্ট্যামিনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থাকে ‘এন্ডুওরেন্স’-ও৷ এই এন্ডুওরেন্স বা সহ্যশক্তিই আপনাকে চাপের সঙ্গে যুঝতে সাহায্য করবে৷

এমনটা মনে করার কোনও কারণ নেই যে কেবল পেশাদার খেলোয়াড়দেরই স্ট্যামিনা লাগে৷ যাঁর স্ট্যামিনা যত বেশি, তিনি তত সহজে রোজের জীবনের অপরিসীম চাপের মুখোমুখি দাঁড়াতে পারবেন৷

রাতারাতি ফলের আশা করবেন না: দুম করে কারও স্ট্যামিনা বাড়ে না, ধীরে ধীরে আপনার শারীরিক সক্ষমতা ও শক্তি বাড়তে আরম্ভ করে৷ ব্যায়াম তো রোজ করতেই হবে, ট্রেনার যখন এক্সারসাইজ়ের ইন্টেনসিটি বাড়াবেন তখন পিছিয়ে গেলেও চলবে না৷ কিন্তু হুট করে কঠিন ব্যায়ামের দিকে ঝুঁকবেন না, ধীরে ধীরে তীব্রতা বাড়ালেই ভালো করবেন৷ নিয়মিত এক্সারসাইজ়ের অভ্যেস গড়ে তুলুন৷ তবে শরীরকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাটালে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে৷

নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করুন: এমন খাবার খান যা আপনাকে শক্তি দেবে, পুষ্টির ঘাটতি মেটাবে৷ ভিটামিন সি, প্রোটিন, আয়রন আর জটিল কার্বোহাইড্রেট অতি অবশ্যই রাখুন খাদ্যতালিকায়৷ সাদা ময়দার ফুলকো লুচি বা পুরু মাখন লাগানো নরম তুলতুলে পাউরুটি খেতে নিঃসন্দেহে স্বাদু, কিন্তু আপনাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেবে নানা সবজি আর ডাল দিয়ে রাঁধা দালিয়ার খিচুড়ি৷ অতিরিক্ত নুন বা চিনি দুটোই সমান খারাপ৷ সবুজ সবজি, ওটমিল, কলা, চর্বিছাড়া মাংস, টাটকা মাছ, ডিম, দুধ অবশ্যই রাখুন খাদ্যতালিকায়৷ এর ফলে ঘাটতি আসবে না এনার্জির স্তরে, শক্তপোক্ত হবে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, মাসল আর টিস্যুর পুনর্গঠনের কাজে গতি আসবে৷ খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেবেন না৷

জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান: আমাদের শরীর 70 ভাগ জল দিয়ে তৈরি, সেই বুঝে শরীরে জলের জোগান অব্যাহত রাখুন৷ জল কম খেলে কোষের আকার ছোট হয়ে যায়, মাসল স্থিতিস্থাপকতা হারাতে আরম্ভ করে৷ যতটা পারেন জল পান করুন, সেই সঙ্গে ফলের রস, ভেজেটেবিল জ্যুস, স্যুপ খাওয়াও চলতে পারে৷

ঘুমের সঙ্গে সমঝোতা করবেন না: শরীর যেন ক্লান্ত না থাকে সেটা দেখতে হবে৷ আর ক্লান্তি কাটানোর সেরা উপায় হচ্ছে ঘুম৷ নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া আর ঘুম একান্ত অপরিহার্য৷ খেয়ে উঠেই শুতে যাবেন না, অন্তত ঘণ্টাখানেক হাঁটাচলা বা কোনও না কোনও কাজ করুন৷

অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধূমপান চলবে না: মদ্যপান ও ধূমপান আপনার শারীরিক সক্ষমতাকে কখনওই তুঙ্গে পৌঁছতে দেয় না, তা এনডুওরেন্স কমায়৷ তার চেয়ে নিয়ম করে খেলাধুলো করুন, উপকার পাবেন৷ – ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য