সচেতন হলেই এড়ানো যায় সারভাইক্যাল ক্যানসারআপনি কি জানেন, ভারতবর্ষে প্রতিদিন অন্তত 200 মহিলার প্রাণ কেড়ে নেয় সারভাইকাল ক্যানসার? 2015 সালের পূর্ণ পরিসংখ্যান হাতে এসেছে কিছুদিন আগে, তাতে দেখা গিয়েছে ওই বছর এ দেশে 63,000 মহিলার প্রাণ গিয়েছিল এই মারণ রোগের প্রভাবে। সংখ্যাটা ভয় ধরানোর পক্ষে যথেষ্ট। তার চেয়েও বেশি আতঙ্কের বিষয় হল, রোগটি হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের 170টি স্ট্রেনের মধ্যে একটি হল সারভাইকাল ক্যানসারের কারণ। যৌন সম্পর্কের কারণে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস, ত্বকের সঙ্গে ত্বকের স্পর্শ হলেও ছড়াতে পারে।

একাধিক যৌন সঙ্গী থাকলে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে এই ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে৷ 50-এর কম বয়সি মহিলাদের মধ্যে অন্তত 80 শতাংশের সারভাইকাল ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷ কিন্তু 90 শতাংশ ক্ষেত্রে শরীর তার নিজের নিয়মেই এই ভাইরাসকে মেরে ফেলে।

সারভাইকাল ক্যানসারের লক্ষণগুলো কিন্তু একটু সতর্ক হলেই দিব্যি বোঝা যায়৷ আপনার পেলভিসে যন্ত্রণা, ভ্যাজাইনা থেকে ডিসচার্জ, ঋতু চলাকালীন অতিরিক্ত রক্তপাত, যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সময় ব্যথার মতো কোনও সমস্যা আছে কি? তা হলে অবশ্যই একবার আপনার গাইনিকোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলে নিন৷

সার্জিকাল অঙ্কোলজিস্ট ডা. অরুণাভ সেনগুপ্ত বলছেন, ‘‘যাঁদের বন্ধ্যাত্বের জন্য দীর্ঘ ট্রিটমেন্ট হয়েছে, পলি সিস্টিক ওভারির সমস্যা ছিল কখনও, রাতের পর রাত নাইট শিফটে কাজ করতে হয়, তাঁরা বেশি সাবধানতা অবলম্বন করুন৷ নিয়মিত প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট করানোও দরকার৷’’

মনে রাখবেন, সারভাইকাল ক্যানসার জটিল অবস্থায় পৌঁছতে খানিকটা সময় নেয়, এবং লক্ষণগুলি আপনি একটু সতর্ক থাকলেই চিনতে পারবেন৷ তাই বিশেষ করে বয়স 40-এর কোঠা পেরনোর পর স্ত্রী জননাঙ্গের সুস্থতা সম্পর্কে বিশেষ যত্নশীল হয়ে উঠুন৷- ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য