10 23 18

মঙ্গলবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

Home - আন্তর্জাতিক - বাংলাদেশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক বিয়ে করায় যুক্তরাজ্যে আজীবন নিষিদ্ধ এক শিক্ষক

বাংলাদেশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক বিয়ে করায় যুক্তরাজ্যে আজীবন নিষিদ্ধ এক শিক্ষক

বাংলাদেশি অপ্রাপ্ত বয়স্ক বিয়ে করায় যুক্তরাজ্যে আজীবন নিষিদ্ধ এক শিক্ষকজেনেশুনে বাংলাদেশের ১৩ বছরের এক অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করার প্রমান পাওয়ায় যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষককে আজীবনের জন্য শিক্ষকতা পেশায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়া জসিম নুর লন্ডন নটিক্যাল স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।

App DinajpurNews Gif

তার দাবি, তিনি ভেবেছিলেন মেয়েটির বয়স ১৮ বছর। তবে এই সপ্তাহে কাভেন্ত্রী শহরের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের টিচিং রেগুলেশন অথরিটি (টিআরএ) প্যানেল দেখতে পায় বিয়ের আগেই নিজের বয়স জানিয়ে মেয়েটি ওই শিক্ষককে চিঠি দিয়েছিলেন।

টিআরএ প্যানেলের আদেশে বলা হয়, ৩৪ বছর বয়সী নুর ওই মেয়েটির সঙ্গে ২০০৬ সালের আগস্ট থেকে ২০০৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। ওই পরিস্থিতিতে তিনি জানতেন মেয়েটির বয়স ১৬ বছরেরও নিচে। যুক্তরাজ্যে বিয়ে ও যৌন সম্পর্কে সম্মতি দেওয়ার আইনগত বয়স ধরা হয় ১৬ বছরকে।

২০১৩ সালে মেয়েটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলে পারিবারিক আদালত প্রক্রিয়া শেষ করে ২০১৪ সালে তার প্রকৃত বয়স নির্ধারণ করে দেয়।

টিআরএ প্যানেলের চেয়ারম্যান ড. রবার্ট কাউলি জানান, ওই শিক্ষক দাবি করেন ২০১৩ সালে মেয়েটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়েরের আগ পর্যন্ত তার প্রকৃত বয়স নিয়ে সচেতন ছিলেন না তিনি। পারিবারিক আদালতের প্রক্রিয়ায় ২০১৪ সালে মেয়েটির প্রকৃত বয়স নির্ধারণের জন্য তার কণ্ঠাস্থির পরীক্ষা করা হয়। তিনি বলেন, তাদের বিয়ের সময় নিজের স্ত্রীর বয়স ১৮ বছর বলে বুঝেছিলেন নুর।

টিআরএ প্যানেল বলছে মেয়েটির স্বাক্ষ্যের সঙ্গে তার অভিযোগ, পুলিশের সাক্ষাৎকার ও শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া এবং তাদের সংগৃহীত প্রমাণের সঙ্গে মিলে যায়। এক লিখিত বার্তায় নুর বলেছিলেন, মেয়েটির পরিবারের কাছ থেকে ‘প্রতারিত’ হয়েছেন তিনি।

নুরের সমর্থনে লন্ডনের স্কুলের প্রধানশিক্ষক তাকে স্কুলের কর্মীবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আখ্যায়িত করেছিলেন। এবিষয়ে টিআরএ প্যানেলের আদেশে বলা হয়েছে, ‘১৩ বছর বয়সী এক শিশুর সঙ্গে বিয়ে এবং যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন নুর। নিজের এই কর্মকান্ডেযর প্রতি ফিরে দেখেননি নুর’। প্যানেলের অন্যতম নীতি নির্ধারক অ্যালান মেইরিক বলেন, আমার বিচারে ফিরে না দেখার অর্থ হলো এই ধরণের আচরণ আবারও করতে পারেন।

অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য নুরকে শিক্ষকতা পেশায় নিষিদ্ধ করে টিআরএ প্যানেলের রায়ে বলা হয়েছে, তিনি শিক্ষকতা পেশায় নির্বাচিত হবার যোগ্যতা প্রমাণের জন্যও তালিকাভুক্ত হতে পারবেন না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য