10 23 18

মঙ্গলবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ৮ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

Home - দিনাজপুর - চড়ারহাট গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদ দেবীতে পুষ্পস্থাপক অর্পণ

চড়ারহাট গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদ দেবীতে পুষ্পস্থাপক অর্পণ

চড়ারহাট গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদ দেবীতে পুষ্পস্থাপক অর্পণবিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ ১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর বিরামপুর উপজেলার আলতাদিঘী নামক স্থানে গরুর গাড়ীতে করে কয়েকজন খাঁন সেনা বিরামপুর ক্যাম্পে যাওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত হামলা করে ৭জন খাঁন সেনাকে হত্যা করে। খাঁন সেনাদের সাথে ২ জন রাজাকারও ছিল। ওই রাজাকাররা খাঁন সেনাদের হত্যা করার খবর বিরামপুর ক্যাম্পে জানায়।

App DinajpurNews Gif

আজ ১০ অক্টোবর বুধবার চড়ারহাট শহীদ স্মৃতি বেদীতে চড়ারহাট গণহত্যা উপলক্ষে দুপুরে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদের পক্ষে হাবিবুর রহমান রিপন ও পুটিমারা ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন পুষ্প স্থাবক করেন এর পরেই নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মসিউর রহমান, দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার ফোরাম সভাপতি, আবুল কালাম আজাদ, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শহীদমুক্তিযোদ্ধা পরিবার, বিভিন্ন স্কুল কলেজসহ ছাত্র-ছাত্রীরা ও এলকাবাসী শহীদ দেবীতে পুষ্পস্থাপক অর্পণ করেন।

এর পরে পুটিমারা ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে চড়ারহাট গণহত্যা ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরে চড়ারহাট গণহত্যায় নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চড়ার গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

১০ অক্টোবর ভোর রাতে ওই গ্রামের নিরীহ সাধারন মানুষদের কাজের কথা বলে চড়ারহাটের একটি স্থানে সাধারন ওই মানুষগুলিকে সারিবদ্ধ করে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। এতে ২ জন মহিলাসহ ১৫৭ জন শহীদ হন।

শহীদদের সকলের লাশ সনাক্ত করা সম্ভব হয় নাই। ৯৩ জন শহীদের লাশ সনাক্ত করা হয়েছিল। যার মধ্যে চড়ারহাট (প্রাণকৃঞ্চপুর) গ্রামের ৬১জন এবং আন্দোলগ্রামের (সারাইপাড়া) ৩২ জন। ওই সময় এক কবরে একাধিক শহীদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। সেইদিনের ঘটনা ও শহীদদের স্মৃতি আজও তাদের আপনজনদের মাঝে নাড়া দেয় ও প্রায় ২০ জনের মত গুলিতে আহত হয়ে পঙ্গুত বরণ করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য