10 16 18

মঙ্গলবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং | ১লা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৬ই সফর, ১৪৪০ হিজরী

Home - দিনাজপুর - ফুলবাড়ীতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ীতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ীতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিতদিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা কেন্দ্রিয় শহীদ মীনার চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

App DinajpurNews Gif

দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে রাসেল আলম সভাপতি ও মনিরুজ্জামানকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনটি উদ্বোধোন করেন ফুলবাড়ী গণআন্দোলনে বিডিআর এর গুলিতে চিরতরে পঙ্গুত বরণকারী বাবলু রায়।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেল গ্রাস খনিজ সম্পদ ও বিদুৎ বন্দর রক্ষা জাতয়ি কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহবায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারন সম্পাদক দিলিপ রায়।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ এর ফুলবাড়ী শাখার সাধারন সম্পাদক সঞ্জিব কুমার জিতু।

বাংলাদেশ বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারন সম্পাদক বলেন বর্তমানে কিছু ছাত্র ছাত্ররাজনীতির সকল আদর্শকে জলাঞ্জলী দিয়ে এক একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের তল্পীবাহক হয়ে গেছে, হয়তো তাদের হাতে ক্ষমতা আছে অর্থ আছে, কিন্তু সাধারন মানুষ নাই।

সাধারন ছাত্র-অভিভাবক শিক্ষক তাদের সাথে আছে, যারা প্রকৃত পক্ষে আদর্শের ভিত্তিতে ছাত্র রাজনীতি করে। তিনি সম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে উল্লেখ করে বলেন, এই আন্দোলন করেছে কারা, এই আন্দোলন করেছে যারা আদর্শ নিয়ে ছাত্ররাজনীতি করে তারায়, আর তাদের সাথে রাস্তায় নেমে এসেছে এদেশের সাধারন জনতা।

এজন্য তিনি কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলের তল্পিবাহক না হয়ে আদর্শের রাজনীতিত্বে আসার জন্য সকল ছাত্রকে আহবান জানান।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর এই নেতা বলেন একাত্তরে যদি পাকিস্তানের পক্ষ নেয়ার জন্য জামাত রাজাকার হয়, তাহলে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত, যারা জনগনের বিরুদ্ধে গিয়ে একনায়কতন্ত্র জারী করে স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট পরিচালনা করেছে তারাও রাজাকার।

কারন মুক্তি যুদ্ধ হয়েছে নাগরীক অধিকার, বাক-স্বাধীনতা ও সাধারন জনগনের রাষ্ট্রের মালিকানা নিশ্চিত করার জন্য। এজন্য তিনি গণমানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সকলকে আদর্শের রাজনিিতত্বে আসার আহবান জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য