সম্পর্কে নিজস্বতা বজায় রাখুনসম্পর্কে মনোমালিন্য, টানাপড়েন হতেই পারে। তবে মাঝেমাঝে দু’জনের ঝামেলা বা মনোমালিন্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছায় যেখানে স্রেফ কথা বলেই বিষয়টা মেটে না। অবস্থা আরও জটিল হতে পারে যদি কেউ মনে করেন দুজনের মাঝে নিজস্বতা হারাচ্ছেন তিনি।

কোন সম্পর্কের সুস্থতা বজায় রাখা মানে দু’টি মানুষের মধ্যেকার বোঝাপড়া ঠিক রাখা। প্রতিটি সম্পর্কে নিজস্ব জায়গা থাকা ভীষণ প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন সেই জায়গা ধরে রাখা।

সম্পর্কে নিজস্বতা বজায় রাখতে সহজ কিছু নিয়ম অবলম্বন করুন। জীবনটা সহজ করুন –

ইতিবাচক ভঙ্গি রাখুন

একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আপনার নিজের কাজ করার জন্য বা নিজেকে দেওয়ার জন্য সময় বের করা খুবই আবশ্যক। দুজনের সম্পর্কে থেকেও আলাদা করে নিজের জীবন এবং নিজস্ব পরিচয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি।

আপনিই সম্পর্কে সব নন

অনেক সময়, মানুষ মনে করে যে তাদের জীবনসঙ্গী তাঁদের নিজস্ব স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন মানেই তারা ভালো নেই বা সম্পর্ক ভাঙনের মুখে। এটা একেবারেই ভুল। নিজস্ব স্থান চাওয়া বা জিজ্ঞাসা করা সেই মানুষটির অনেক অন্য প্রয়োজনের মতোই একটি। উভয়ই মানুষকে তাদের সীমা ও চাহিদার সুস্থ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভারসাম্য রাখতে হবে না। তবে তাতে যেন কেউই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

আপনি কী মনে করছেন জানান

স্পেস দেওয়ার ধারণাটি যদি আপনাকে চাপে ফেলে দেয় তাহলে আপনার পার্টনারকে জানান যে আপনি একসাথে কথা বলে সমাধান বের করতে চান বা মধ্যস্থতা করতে চান। নিশ্চিত করুন যে দু’জনে একই জায়গায় থেকে বিষয়টি দেখছেন, কেউই কাউকে জোর করছেন না এই বিষয়ে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য