হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রম বাড়াতে হ্যচারী তৈরির উদ্যোগআব্দুল মান্নান,হাবিপ্রবিঃদিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রম কে আরো বেগবান করতে হ্যাচারি, পোল্ট্রি ফার্ম ও খামার (কাউ শেড) তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম অন্যান্য শিক্ষকদের নিয়ে ফিশারিজ অনুষদের পুকুর এবং হ্যাচারি ও পোল্ট্রি ফার্মের জায়গা পরিদর্শনে যান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, এসব আমার নিজেরও স্বপ্ন ছিল। আমি এসেই একটি হ্যাচারি তৈরির কথা বলেছিলাম।

এটি তৈরি হলে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিখতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে জায়গা খোঁজার জন্য এতোদিন কাজ শুরু করা যায়নি। পরে ক্যাম্পাসের ভেতরেই এগুলো নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এতে শিক্ষার্থীদের জন্যও যাতায়াত সহজতর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরগুলোকেও সর্বোচ্চ ব্যবহার করার উপরও তিনি জোরদার করেন ।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড বিধান চন্দ্র হালদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে এবং আরডিএ (রুরাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমী) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এগুলো তৈরির কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর পেছনে সম্ভাব্য ব্যয় দেড় কোটি টাকা ধরা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন ৬ মাসের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে।পুরো কাজের দায়িত্ব আরডিএ কে দেয়া হয়েছে আর টাকাও পরিশোধ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তারা কাজ শেষ করবেন।

এ ব্যাপারে ফিশারিজ অনুষদের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড ইমরান পারভেজ বলেন, দীর্ঘ দিন থেকে একটি হ্যাচারি আমাদের অনুষদের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ছিল। আমরা উপাচার্য স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ। স্যার এসেই হ্যাচারি তৈরির কথা বলেছিলেন, এখন সেটার বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে এটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।

উল্লেখ্যে যে,বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদের ৩ নম্বর পুকুরের পেছনে সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে এগুলো তৈরি করা হবে। এর সাথে একটি পরিপূর্ণ বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ও তৈরি করা হবে ।এবং নতুন কাউশেড তৈরি হলে বাস স্ট্যান্ডের পাশের কাউশেডটি সেখানে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য