রৌমারীতে নদী ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের বেড়া নির্মাণকুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে বকবান্ধা গ্রামে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন রোধে এলাকাবাসী উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে ২কি.মি. ভাঙন এলাকা জুড়ে বাঁশের বান্ডাল নির্মাণ করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জিঞ্জিরাম নদীর তীরে অবস্থিত বকবান্ধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বকবান্ধা নামাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বকবান্ধা উচ্চ বিদ্যালয়, বকবান্ধা নামাপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কবরস্থান, ঈদগাঁ মাঠ, চারটি মসজিদ ঘরসহ বকবান্ধা গ্রামে দু’হাজার পরিবার জিঞ্জিরাম নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার্থে এলাকাবাসী উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে পঁঞ্চাশ হাজার বাঁশ দিয়ে ২কি.মি এলাকা জুড়ে নিজেদের অর্থে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন রোধে এই বাঁশের বান্ডাল নির্মাণ করেছেন।

বকবান্ধা বেপারি পাড়া হতে লালকুড়া সবুরে খেয়াঘাট পর্যন্ত ২কি.মি. এলাকা রক্ষার্থে বাঁশের বান্ডাল নির্মাণ কাজে স্বেচ্ছায় অংশ নেয় কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নেত্রীবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রায় ৫শ’ মানুষ।

বকবান্ধা গ্রামের কাজী আশাফুল ইসলাম, শিক্ষক মাসুদ আলম, ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জানান, এলাকা রক্ষার্থে গ্রামবাসী একত্র হয়ে নিজেস্ব অর্থায়নে বাঁশ গাছ ,জিয়াইতার ও তারকাঁটা ক্রয করে এ বান্ডল তৈরী করা হয়েছে।

এ কাজে নেত্বতে থাকা রৌমারী সরকারী কলেজের প্রভাষক মো. সবুজ মিয়া বলেন, বকবান্ধা গ্রামের ২হাজার পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য অস্থায়ীভাবে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ গাছ দিয়ে বান্ডল তৈরী করা হয়েছে। ঐ এলাকা রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবু সাইদ বলেন, জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনের কবল থেকে বকবান্ধা গ্রাম রক্ষায় এলকাবাসী প্রায় ২কি.মি. জুড়ে নিজেরাই এ বান্ডল নির্মাণ করেছে। অথচ আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিছুই করতে পারিনি।

যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সরবেশ আলী বলেন, সরকারী বরাদ্দ ছ্ড়াাই এত বড় বাঁেশর বান্ডল নিমার্ণ করে ভাঙন কবলিত বকবান্ধা গ্রাম রক্ষার চেষ্টা করছে গ্রামবাসী এর জন্য গ্রামবাসিকে ধন্যবাদ জানাই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য