গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলনআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উপদেষ্টাসহ ২৩৪ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষিত হওয়ায় দলের ত্যাগী, যোগ্য ও পদবঞ্চিত সিনিয়র নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। শনিবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অসম্মান করে বাদ দিয়ে অদক্ষ, অযোগ্য ও অনভিজ্ঞদের ওই কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে ঘোষিত জেলা কমিটির অসংগতি দুর করে বাদপড়া নেতৃবৃন্দকে সঠিক পদমর্যাদায় অন্তর্ভূক্ত করে একাধিক পদ প্রাপ্তদের পদসহ অযোগ্য অদক্ষদের জেলা কমিটি থেকে বাতিলের দাবি জানান। এব্যাপারে তারা বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল ইসলাম পাপুল ৩৫ জন নেতাকর্মী স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গাইবান্ধা জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের অর্থ বাণিজ্য, প্রতিহিংসা ও স্বজনপ্রীতির কারণে জেলার ত্যাগী, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দ পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নেয়ার কারণে অসংখ্য মামলার স্বীকার ২৭ জন নেতাকর্মীকে এই কমিটিতে চরমভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, স্থানীয় কতিপয় নেতার হস্তক্ষেপে উদ্দেশ্যেমূলকভাবে কমিটি গঠনের বিষয়টির প্রতিবাদ করলেও চলমান আন্দোলন, সংগ্রাম ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ।

তিনি উল্লেখ করেন, চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিসহ চলমান আন্দোলন তথা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাজপথে তারা সক্রিয় রয়েছেন। সেখানে দলের মধ্যে কোন বিবেধ বা অনৈক্যের সুযোগ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাড. হামিদুল হক ছানা, গাইবান্ধা শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আমান উল্যা চৌধুরী সাজু, সহ-সভাপতি ফরহাদ আলম ডাবলু, সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জামিরুল ইসলাম খন্দকার, সাদুল্যাপুর ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভিপি সাজ্জাদ হোসেন পল্টন, শহর বিএনপি নেতা মুছা আহমেদ, ফরিদুল ইসলাম, ফরহাদ আলী প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য