রাণীশংকৈলে দারিদ্রতাকে মুক্ত করে বনিতা রাণী স্বাবলম্বীঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরে কলেজ পাড়া এলাকার বনিতা রাণী সরকার পরিবারে দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে এখন স্বালম্বী।

যেখানে স্বামী সন্তান নিয়ে দূমুঠো ভাত খাওয়ার দুঃচিন্তা ছিল তাদের, সে পরিবারে (বিএমকেএস) কারখানা চালিয়ে চলে এখন কয়েকটি পরিবার।

প্রতিদিন সন্ধায় বনিতা রাণী নিজ পুত্র মিশন সরকারকে সাথে নিয়ে পৌর শহরে বিভিন্ন দোকানে দোকানে ঘুরতে দেখা গেলে বিষয়টি নজরে আসে এ প্রতিবেদকের ।

বুধবার স্বরে জমিনে গিয়ে জানাযায়, বনিতা রাণী তার বাসায় চিনি মুক্ত নিমকি, চিড়ে ভাজা ও চানাচুর তৈরি করছে সাথে ৮-১০ জন মহিলা কারখানায় কাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে বনিতা রাণী সরকার তার সফলতার কথা উল্লেখ্য করে বলেন সংসারে যখন অভাব চলে সে মুহুর্তে অন্যের কাছে মাত্র ১৫০ টাকা নিয়ে এ ব্যাবসা শুরু করি ২-৩ বছর ব্যাবসাটি চালিয়ে সপ্তাহে এখন ২০-২৫ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে এ কারখানায় স্থানীয় অঞ্জনা বসাক, বুনি বসাক, সহ ৮-১০ জন চুক্তি ভিক্তিক কাজ করে কাজের মুজুরি নিয়ে তাদের ও সংসার চলে।

প্রতিদিন চানাচুর নিমকি চিড়া তৈরি করে রাতে দোকানে গিয়ে টাকা নেই আর এভাবে চলে আমার সন্তানের পড়ালেখা ও সংসারের খরচ।

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা বলেন এভাবে সকল নারীদের কর্ম ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে।

বণিতা রাণী যেহেতু অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে তাকে প্রতিবছরের ন্যায় আমরা জয়িতা অন্বেষনে পূরস্কিত করবো। তাকে দেখে যেন অন্য নারীরা সমান তালে এগিয়ে যায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য