লালমনিরহাটে গুলিবিদ্ধ দুই মাদক বিক্রেতা ও ডাকাত গ্রেফতারআজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সুমন মিয়া (২৯) নামে এক মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

একই সময় সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মনসুর আলী ওরফে মনসুর (৩৫) নামে এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের চাকলা হল মোড় এলাকায় ও সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের বিদ্যাবাগিশ এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।

মাদক বিক্রেতা সুমন আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের ইরমানুল হক মাস্টারের ছেলে ও ডাকাত মনসুর সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের বিদ্যাবাগিশ এলাকায় ওই এলাকার নিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ছেলে।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক জানান, মাদকের চালান নিয়ে ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে একটি মাদকবিক্রেতা চক্র কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়ন অতিক্রম করছে- এমন খবরে রোববার রাতে চাকলা হল মোড় এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশের ওপর হামলা করলে পুলিশ শর্টগানের চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

‘এতে সুমনের দুই পায়ে দুইটি গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। মাদক বিক্রতা সুমনের বিরুদ্ধে ১১টি মাদক মামলা রয়েছে।’

অপর দিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে সদর উপজেলার বিদ্যাবাগিশ এলাকা থেকে মনসুর ডাকাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে, বাকিদের গ্রেফতার করতে তাকে নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ডাকাত চক্রটি পুলিশের ওপর হামলা করে মনসুরকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ শর্টগানের দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

এতে মনসুরের দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে চারটি রামদা, দু’টি ধারালো ছোড়া ও বেশ কিছু লাঠি জব্দ করা হয়।

এসময় ডাকাত দলের হামলায় সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এ.এস.আই) ইমাম হাসান শামীম ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হয়েছেন। চুরি, ডাকাতি, অপহরণ ও মাদকের ১১টি মামলার আসামি ডাকাত মনসুর।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য