গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতুঅনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উদ্বোধন হলো গঙ্গাচড়ায় তিস্তার উপর নির্মিত ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১টার সময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধন উপলক্ষে সেতুর উত্তর প্রান্তে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, জেলা প্রশাসক এনামুল হাবিবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় দেশের উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ছিল মঙ্গাপিড়ীত এলাকা। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর মঙ্গা শব্দটি বিদায় নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দুর্ভিক্ষ ছিল বেশি। সেই অবস্থা এখন আর নেই। ব্রিজটি চালু হলে রংপুরের সঙ্গে কিংবা ঢাকার সঙ্গে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব কমবে। তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ গুরুত্ব পাবে। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাইরে বিক্রি করতে পারে। কৃষকরা লাভবান হবে।

সড়ক ও সেতু নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী পারভেজ নেওয়াজ খান বলেন, ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ১২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৯ মিটার প্রস্থ তিস্তা সড়ক সেতুটি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেতুতে ১৬টি পিলার,২টি এপার্টমেন্ট,১৭টি স্প্যান ও ৮৫টি গার্ডার রয়েছে। থাকছে লাইটিং ব্যবস্থা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য