Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 26 18

বুধবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - দিনাজপুর - চিরিরবন্দরে ধানক্ষেতে পোকা-মাকড় সনাক্ত করন ও দমনে ‘‘আলোক ফাঁদ’’

চিরিরবন্দরে ধানক্ষেতে পোকা-মাকড় সনাক্ত করন ও দমনে ‘‘আলোক ফাঁদ’’

চিরিরবন্দরে ধানক্ষেতে পোকা-মাকড় সনাক্ত করন ও দমনেচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ধানক্ষেতে আক্রান্ত পোকা-মাকড় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জনপ্রিয় একটি পদ্ধতির নাম হচ্ছে আলোক ফাঁদ। বর্তমানে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার কৃষকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই কৃষিবান্ধব পদ্ধতি। বর্তমানে উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ৩৬ ব্লকে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় সন্ধ্যায় আমন ফসলের ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে।

App DinajpurNews Gif

এই পদ্ধতি বর্তমানে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আমন ধানের ক্ষেতের আইলে কোথাও পানি ভর্তি পাত্রে, কোথাও কাগজের উপর আলো জ্বালিয়ে ধানে আক্রমণাত্মক বিভিন্ন পোকা ধরছেন। কৃষকরা নিজেই জমিতে এই পোকাগুলোর উপস্থিতি দেখে ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণের আগেই কোন ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে তা খুব সহজেই নিরূপন করতে পারছেন।

এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকরা নিজেই তাদের আমন ক্ষেতে কোন ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে তা স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রয়োগ করতে পারছেন। এতে করে পোকার আক্রমনের আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছেন এই এলাকার কৃষকরা। এই আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে এলাকার অনেক কৃষক বর্তমানে খুব কম কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এতে কৃষকদের খরচ অনেকটাই কমে আসছে এবং ধানের উৎপাদনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন উপজেলার কৃষকরা। উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের কৃষক জাকির, ফজলুর রহমান ও নশরতপুর গ্রামের কৃষক রহিদুল, সাইদুর, নজরুল, রাজ্জাক, বেলাল জানান, আমরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক উপকৃত হয়েছি। সহজ লভ্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা খুব সহজেই ক্ষেতের পোকামাকড় নিধন করতে পারছেন। পোকামাকড়ের উপস্থিতি চিহ্নিত করে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন।

এতে করে তাদের খরচ অনেকটাই কমে এসেছে। এটা পরিবেশ বান্ধব একটি পদ্ধতি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মাহমুদুল হাসান জানান, এটি একটি সহজলভ্য পদ্ধতি। কৃষকরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই ধান ক্ষেতের পোকা-মাকড় সনাক্তকরন ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারছেন। খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন।