Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 21 18

শুক্রবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১০ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - মেইন স্লাইড - কুড়িগ্রামে ডুবে যাচ্ছে আমন ধানের জমি

কুড়িগ্রামে ডুবে যাচ্ছে আমন ধানের জমি

কুড়িগ্রামে ডুবে যাচ্ছে আমন ধানের জমিকুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে হালকা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে ধরলা ও বারোমাসিয়া নদীর পানি। ধরলা ও বারোমাসিয়ার নদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বিঘা আমন ধান পানিতে ডুবে গেছে।

App DinajpurNews Gif

গত ১২ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে (ফেরিঘাট পয়েন্ট) ৯৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধির কথা স্বীকার করে জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বাড়তে শুরু করেছে।

বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কার প্রশ্নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এখনও পানির লেভেল বিপদসীমার অনেক নিচে রয়েছে।

ধরলার পানি হঠাৎ করে অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ধরলার তীরবর্তী দক্ষিণ সোনাই কাজী গ্রামে দুপুর পর্যন্ত প্রায় বিশটি পরিবারের ঘর-বাড়ি ধরলা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আরো ভাঙ্গনের শিকার হতে পারে প্রায় শতাধিক পরিবার। ধরলার তীরবর্তী অনেক পরিবার আগাম ঘর-বাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন।

তালুক শিমুলবাড়ী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক জানান, ধরলার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার গ্রামের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি ধরলায় বিলীন হয়ে গেছে। তারা দুইদিন থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে আছে।

শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজাহার আলী জানান, সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপজেলা ইউএনওকে বিষয়টি অবগত করেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও জানান, নদীর পানি বৃদ্ধিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। বড় ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুপুরে ভাঙ্গন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছি। প্রয়োজনে নদী তীরবর্তী এলাকার লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হবে এবং মানবিক দৃষ্টিতে ধরলার ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রাম এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।