৩য় বর্ষের ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ঃ রানীশংকৈলে ডিগ্রী কলেজ প্রশাসনিক ভবনে তালা বিক্ষোভমাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাও : অনিয়ম দুর্নীতি ডিগ্রী পাশ ৩য় বর্ষের পরীক্ষার ফরম পুরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের প্রশাসনিক ভবনে তালা মেরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। দাবী না মানলে ক্লাশ বর্জনসহ কলেজের প্রশাসনিক ভবনের কার্যক্রম রুখে দেওয়ার কর্মসুচি ঘোষনা দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, কলেজ কৃর্তপক্ষ ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ফরম পুরন ১৬ আগষ্ট শুর করে ৫সেপ্টেম্বর শেষ সময় নির্ধারণ করেছেন। এতে পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করেছেন তিন হাজার নয়শত পঞ্চাশ টাকা।

অপরদিকে বিএসসি বিভাগের জন্য নির্ধারিত ফি’র সাথে সাতশত পঞ্চাশ টাকা বেশি দিতে হবে বলে কলেজ কৃর্তপক্ষ নোটিশ প্রদান করেছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ কলেজ কৃর্তপক্ষ অযোক্তিক ভাবে আমাদের ফরম পুরণে অতিরিক্ত ফি আদায় করছেন।

শিক্ষার্থী কাজল ফারজানা মারুফা আনজু বলেন,আমরা গরিব পরিবারের সন্তান কষ্ট করে পড়াশুনা করছি এখন ডিগ্রী ৩য় বর্ষের পরীক্ষা দিবো কিন্তু কলেজ কৃর্তপক্ষ ফরম পুরণের ফি নিধারণ করেছেন তিন হাজার নয়শত পঞ্চাশ টাকা। যা আমাদের দেওয়া অসম্ভব। শিক্ষার্থী সুজন, জমিরুলইসলাম, মান্নান, ইব্রাহিম বলেন, অন্যান্য কলেজে ফরম পুরণে ফি কম থাকলেও আমাদের কলেজে তার থেকেও অনেক বেশি ধরা হয়েছে।

আমরা কৃর্তপক্ষকে এবিষয়ে আপত্তি জানালেও তারা আমাদের ধমক দেন এবং বলেন ফরম পুরণ করলে করো না হলে নাই। তাই আমরা এর প্রতিবাদে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ভবনে তালা মেরে বিক্ষোভ মিছিল করেছি।

অতিরিক্ত ফি কমিয়ে বোর্ড কৃর্তক নির্ধারিত এক হাজার চারশত টাকা ফি দিয়ে ফরম পুরনের দাবী না মানলে আমরা ক্লাশ বর্জনসহ প্রশাসনিক সমস্ত কার্যক্রম রুখে দেওয়াসহ তীব্র আন্দোলনের কর্মসুচি ঘোষনা দিবো।

খোজ নিয়ে জানা যায়, পাশ্ববতী মহিলা ডিগ্রী কলেজ উপাধ্যক্ষ মহাদেব বসাক জানান আমরা ফরম ফি নির্ধারণ করেছি তিন হাজার চারশত টাকা নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ শাহাজাহান আলী মুঠোফোনে বলেন, আমরা দুই হাজার দুইশত টাকা গাজীর হাট ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুস জানান,আমরা তিন হাজার সাতশত টাকা ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ফি নির্ধারণ করেছি।

শিক্ষক প্রতিনিধি প্রভাষক সফিকুল আলম নাসরিন আক্তার গর্ভনিং বডির সদস্য কুশমত আলী বলেন, ম্যানেজিং কমিটির কোন রকম সিদ্বান্ত ছাড়াই ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ফরম পুরণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই এই আন্দোলনের দায়ভার কলেজের অধ্যক্ষ উপাধাক্ষের।

তবে কলেজের অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ও উপধ্যক্ষ জামালউদ্দীন ঢাকায় অবস্থান করায় এবং মুঠোফোনে কল দিলেও রিসিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

গভর্নিং বডির সভাপতি ঠাকুরগাও-৩ আসনের এমপি ইয়াসিন আলী মুঠোফোনে বলেন, আমি বিষয়টি আগে জানি তারপর জানাবো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য