বড়পুকুরিয়া কয়লা দূর্ণীতি ও চুরির ঘটনা নতুন নয়ষ্টাফ রিপোর্টারঃ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে এক লাখ ৪৪ হাজার মেক্ট্রিক টন কয়ল লোপাটের ঘটনায়, খনি এলাকা পরিদর্শন করেছেন, বাংলাদেশ কনজুমার এসোসিয়েশনের গঠিত বিশিষ্ট কলামিষ্ট লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের নেতৃত্বে ৬ সদস্যর একটি উচ্চতর বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যপক অর্থনীতিবীদ বদরুল ইসলাম ও ভূ-তত্ত্ববীদ এমএস আকাশ, শাহাজালার বিশ^ বিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুসান্ত কুমার, স্থাপতি বিশেষজ্ঞ মোবাস্বের হোসেন ও কনজুমার এসাসিয়েশনের জ¦লানী উপদেষ্ঠা জ¦ালানী বিশেষজ্ঞ ডক্টর সামসুল আলম।

গত রবিবার সকাল থেকে গভিররাত পর্যন্ত তারা খনির কর্মকর্তা, তাপ বিদুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও খনি এলাকারসহ পার্শবর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার ব্যবসায়ী, সুশিল সমাজ, রাজনৈতিক, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে কয়েক দফায় বৈঠক করেন।

উল্লেখ্য বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে উত্তোলন কৃত কয়লার মধ্যে এক লাখ ৪৪ হাজার মেক্ট্রিক টন কয়লা ইয়াড থেকে লোপাট হওয়ায় ঘটনায়, গত ১৯ জুলাই খনির এমডিসহ তিন পদস্থ কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়, খনির সচিবকে প্রত্যার করে গত ২৬ জুলাই ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। একই ঘটনায় পেট্রোবাংলা, জ¦ালানী মন্ত্রনালয় ও দুদুক কর্তৃক পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এদিকে খনিতে কয়লা না থাকায়, কয়লার অভাবে গত ২৪ জুলাই থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে, দেশের একমাত্র কয়লা ভিক্তিক বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগওয়াড তাপ বিদুৎ কেন্দ্রটি। ফলে বিদুৎ বিভ্রাটের মধ্যে পড়েছে দিনাজপুরসহ রংপুর বিভাগের আট জেলা।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ কনজুমার এসোসিয়েশন বিশিষ্ট লেখক কলামিষ্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ এর নেতৃত্বে ৬ সদস্যর একটি বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই তদন্ত কমিটি গত রবিবার সকাল থেকে খনি ও খনির আশপাশ এলাকা তদন্ত করে এবং খনি এলাকাসহ পার্শবর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করে।

কমিটির আহবায়ক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন এই তদন্ত প্রতিবেদন সরকারকে দেয়া হবে এবং সংবাদ মাধ্যমের জনগনের নিকট প্রকাশ করা হবে, যাতে এই দুর্নীতি কেউ ধামাচাপা দিতে না পরে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য