Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
09 21 18

শুক্রবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১০ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী

Home - দিনাজপুর - চিরিরবন্দরে সিঙ্গিল হিল পদ্ধতিতে ব্রিধান-৩৪ চাষ, অধিক ফলনের আশা

চিরিরবন্দরে সিঙ্গিল হিল পদ্ধতিতে ব্রিধান-৩৪ চাষ, অধিক ফলনের আশা

চিরিরবন্দরে সিঙ্গিল হিল পদ্ধতিতে ব্রিধান-৩৪ চাষ, অধিক ফলনের আশাচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কৃষকদের মাঝে এবার আমন মৌসুমে সুগন্ধী ব্রি-ধান-৩৪ প্রযুক্তিগতভাবে চাষে ব্যাপক আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছে। ফলে আগামীতে এ ধানের চাষ ব্যাপক হারে হবে বলে আশা করছেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সাল হতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং আর্ন্তজাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল এর আর্থিক সহায়তায় বেসরকারী সংস্থা গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র (জিবিকে) সুগন্ধি ধান ভ্যালু চেইন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

App DinajpurNews Gif

প্রকল্পের আওতাভুক্ত কৃষকরা ধান উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিশেষ করে সুষম সারের ব্যবহার, সিঙ্গেল হিল পদ্ধতি, সারিতে চারা রোপন, পোকা মাকড় দমনে পার্চিং পদ্ধতি হিসেবে ধৈঞ্চা গাছ ব্যবহার করছে। যা এ অঞ্চলের কৃষকরা পূর্বে এ পদ্ধতি ব্যবহার না করে শুধুমাত্র সনাতন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে ধান চাষ-আবাদ করত ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতো।

এ বছর আমন মৌসুমে উন্নত প্রযুক্তি বিশেষ করে সিঙ্গিল হিল ও সারিতে রোপন করে প্রায় ২৫ একর জমিতে ব্রিধান-৩৪ জাতের ধানের চারা লাগানো হয়েছে। সাইতাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের কৃষক ইলিয়াছ আলী জানান, চারা লাইন করে রোপণ ও ৪ থেকে ৫ টি চারা না লাগিয়ে একটি করে চারা লাগার ফলে চারার পরিমান অনেক কম লেগেছে।

আউলিয়াপুকুর গ্রামের সুগন্ধী ধান উৎপাদক দলের কৃষক মোঃ সাইদুর রহমান বলেন গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের সহযোগিতায় তারা প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন এতে তাদের উৎপাদন খরচ কমেছে। গ্রাম বিকশ কেন্দ্রের সুগন্ধি ধান ভ্যালু চেইন প্রকল্পের প্রকল্প প্রধান কৃষিবিদ মোঃ লিয়াকত আলী জানান, ব্রিধান-৩৪ সিঙ্গেল হিল অর্থ্যাৎ একটি করে চারা সারিতে চারা রোপন পদ্ধতি ব্যবহার করায় পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচল করতে পাওে ফলে মাজরা ও অন্যান্য ক্ষতিকর পোকার আক্রমন কম হয়।

ফলে তুলনামূলকভাবে জমিতে কম কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এতে ধানের ফলন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী হয়। এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদুল হাসান জানান, ব্রি-ধান-৩৪ সুগন্ধী জাতের হওয়াও কৃষকের কাছে বেশ সমাদৃত। অন্যান্য ধানের তুলনায় এই ধানে ব্লাষ্টের ঝুঁকি থাকলেও সঠিক সময়ে পরিচর্যা ও নজরদারীতে রাখলে এর ফলন ভাল পাওয়া যায়। তাছাড়া বাজারে এ ধানের মুল্য অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশী।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক পরামর্শ ও গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের পেইস প্রকল্পের আওতায় এ ধান চাষে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ প্রকল্প চালু থাকলে পরবর্তীতে সুগন্ধী ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন।