চীনে উইঘুর গণআটক নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগসন্ত্রাস দমনের ‘অজুহাতে’ চীনে উইঘুর মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের গণআটক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ দেশটির সরকারের প্রতি তাদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।

সন্ত্রাস দমনের নামে চীনে বিশেষ করে উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজনকে আটক করে বিশেষ বন্দিশিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের হাতে এমন কিছু প্রতিবেদন পৌঁছেছে।

যেগুলোতে বলা হয়, জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলমান সম্প্রদায়ের ১০ লাখের বেশি মানুষকে বন্দিশিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ আরও কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন চীন সরকারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কাছে গণআটক এবং বন্দিশিবিরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করে শপথ গ্রহণে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে।

অভিযোগপত্রের সঙ্গে তারা তাদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু তথ্য প্রমাণও দিয়েছে।

ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসের দাবি, বিনা অভিযোগে লোকজনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি করে রাখা হচ্ছে এবং তাদেরকে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শ্লোগান দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

যদিও বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে তারা কয়েকজন ‘চরমপন্থি’ ধর্মীয় নেতাকে বিশেষ ওই শিবিরে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

চীন সরকারের দাবি, চরমপন্থি উইঘুর মুসলমানরা জিনজিয়াং প্রদেশে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে।

বন্দিশিবিরের বিষয়ে হাতে পড়া ১৪ থেকে ১৭টি প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণের পর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে চীন সরকারের ‘চরমপন্থি বোঝাতে সন্ত্রাসবাদের বিশাল সংজ্ঞা ও অস্পষ্ট উদাহরণ এবং চীনা আইনে বিচ্ছিন্নতাবাদের অস্পষ্ট ব্যাখ্যার’ সমালোচনা করেছে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘ বেইজিংকে যে আহ্বান জানিয়েছে:

আইনগত অভিযোগ, বিচার ও সাজা প্রদাণ ব্যতিত কাউকে দিনের পর দিন আটকে রাখার ব্যবস্থার অবসান করতে হবে।

#এরকম ভাবে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।

কতজনকে সন্ত্রাসবাদ দমনের অজুহাতে গ্রেপ্তার করেছে তার সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করতে হবে।

#সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য