ঠাকুরগাও রানীশংকৈল নেকমরদ গরু-ছাগলের হাটে অতিরিক্ত টোলমাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাও: ঠাকুরগাওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ গরু-ছাগলের হাটে অতিরিক্ত টোল (হাসিল) আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাটের ইজারাদার ইচ্ছামতো ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত টোল আদায় করছেন। সরকারি হিসাবে গরুপ্রতি ক্রেতার কাছ থেকে ১৮০ টাকা আদায়ের নিয়ম থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ২৬০ টাকা। আর ছাগলপ্রতি ৭০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে হাটের ইজারাদার। শুধু নেকমরদ হাটই নয়, কোরবানির ঈদ ঘিরে ঠাকুরগাওয়ের অন্যান্য পশুর হাটেও প্রায় একই অবস্থা বিরাজ করছে।

নেকমরদ হাটে গিয়ে জানা যায়, প্রতি সপ্তাহের রবিবার বসে এই হাট। ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু-ছাগলের হাট বসেছে । প্রতি হাটে গড়ে প্রায় ১ লাক্ষ গরু-ছাগল বেচাকেনা হয়। সংশ্লিষ্ট হাটের ইজারাদার গরুপ্রতি ক্রেতার কাছ থেকে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০থেকে ১০০টাকা করে আদায় করছেন। কিন্তু সরকারি হিসাবে গরু বিক্রিতে শুধু ক্রেতার কাছ থেকে ১৮০ টাকা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অন্যদিকে ছাগল বিক্রয়ে শুধু ক্রেতার কাছ থেকে ৭০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও ইজারাদার ক্রেতার কাছ থেকে ১৮০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে কোন টাকা নেবার নিয়ম নেই।

এজারাদার রেজাউল ও মুক্তারুল বলেন, প্রশাসন ও সাংবাদিক স্থানীয় এমপি নেতাদের টাকা দিয়ে মেনেজ করেই হাট চালাচ্ছি। আমরাকি বানের পানিতে ভেসে এসেছি দুএকটা সচিব সময় মত আমাদের পকেটে থাকে। আজ হাট মেনেজ করতে ৭০ হাজার টাকা লাগবে।

রানীশংকৈল উপজেলা সহকারি ভুমি অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা, হাট পরিদর্শনে এলে দেখেন গরু-২৬০ টাকা ও ছাগল- ১৫০ টাকা করে নিতেছেন, তাৎক্ষনিক তিনি এজারাদারকে ডেকে ১৫ হাজার জরিমানা করেন, এতে এলাকার জনগণ ও হাটে গরু কিনতে আশা লোকজন প্রশাসনের উপর অখুসি হয়ে বলেন স্যার উচিৎ শিক্ষাদেওয়া দরকার ছিল। পরে এসিল্যান্ড তাদের বলেন এর যদি অতিরিক্ত টোল তারা নেয় তাদের এজারা বাতিল করে জেল দেব।

পরক্ষনেই হাটের অবস্থা আগের মতই বেশি টোল আদায় করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য