লোডশেডিংকুড়িগ্রামে তীব্র দাবদাহ, লো-ভোল্টেজ আর ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

রোববার কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৩ দিন ধরে প্রচন্ড গড়মে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পরেছে। প্রখর রোদের সাথে ঘাম ঝরানো আবহাওয়ার কারণে শ্রমজীবী মানুষ পরেছে চরম বিপাকে। মহিলাদের রান্নাঘরে টেকাই দায় হয়ে পরেছে।

এদিকে প্রচন্ড দাবদাহ আর অনাবৃষ্টিতে আমনের আবাদ হুমকীর মূখে পরেছে। জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, ঘন ঘন সেচ দিতে গিয়ে আমন আবাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

অপরদিকে অসহ্য গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লো ভোল্টেজ আর লোড শেডিংয়ের যন্ত্রণা। একটানা কয়েকঘন্টা বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ থাকার কারণে রাতে ঘুমাতে পারছেনা মানুষ। বিশেষ করে শনিবার রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় রাস্তা ও খোলা আকাশে রাত কাটাতে হয়েছে অধিকাংশ মানুষকে।

কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার স্বদেশ কুমার ঘোষ জানান, পিক আওয়ারে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ২৮-৩০ মেগাওয়াট। তার উপর লো ভোল্টেজের সমস্যাতো আছেই।

তিনি আরো জানান, বড় পুকুরিয়ার ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থাকায় বৃহত্তর রংপুরের ৮ জেলায় কম-বেশী একই সমস্যা বিরাজ করছে। তীব্র গরমের কারণে কোরবানির পশুর হাটের ক্রেতা বিক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য