বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় দুই ধাপ অবনমন ঘটেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বিশ্বের ১৪০টি শহর নিয়ে যে তালিকা করেছে তাদের ঢাকার অবস্থান ১৩৯তম।

লন্ডনভিত্তিক ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মঙ্গলবার প্রকাশিত ‘গ্লোবাল লিভেবলিটি ইনডেক্সে’ দেখা যাচ্ছে, বাসযোগ্যতার বিবেচনায় এই সূচকে ঢাকার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে কেবল যুদ্ধবিধস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক।

র‌্যাংকিং নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা, অপরাধ প্রবণতা, অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ ৩০টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে সুযোগ বিবেচনা করা হয়েছে।

সে অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের উপযোগী শহর হলো অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। এর আগে টানা সাত বছর অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল।

এবার প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো শহর বাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করল। মেলবোর্নের স্কোর ৯৭.৫ থেকে বেড়ে এবার ৯৮.৪ হলেও ভিয়েনা উন্নতি করেছে তার চেয়েও বেশি। অস্ট্রিয়ার রাজধানীর স্কোর গতবারের ৯৭.৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৯.১।

বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে ভিয়েনার পর রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, জাপানের ওসাকা, কানাডার ক্যালগেরি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার, জাপানের টোকিও, কানাডার টরোন্টো, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড।

বাসযোগ্যতা নিরূপণে মূল যে পাঁচটি সূচক ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিবেচনা করেছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর দিক দিয়ে ঢাকার অবস্থা সবচেয়ে করুণ। স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশের স্কোর ২৯.২, যা দামেস্কের সমান। আর অবকাঠামোতে ঢাকার অর্জন ২৬.৮, যেখানে দামেস্কও ইআইইউর কাছ থেকে ৩২.১ নম্বর পেয়েছে।

বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার পরই রয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস, পাকিস্তানের করাচি, পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মরিসবি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য