যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই, সিয়াটল বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণাযুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল-টাকোমা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিনা অনুমতিতে আকাশে উড়াল দেওয়া উড়োজাহাজটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে।

৭৮ আসনের উড়োজাহাজটিতে ঘটনার সময় কোনো যাত্রী ছিল না।

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে এক এয়ারলাইন কর্মী এ কাণ্ড করেন বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এয়ারলাইনের এক কর্মী সিয়া-টাক থেকে অনুমতি ছাড়া খালি একটি উড়োজাহাজ নিয়ে আকাশে উড়াল দিয়েছে। পরে সেটি সাউথ পিজেট সাউন্ডে বিধ্বস্ত হয়।

“বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।”

উড়োজাহাজটি সাগরে বিধ্বস্ত হওয়ার খবর দিলেও পাইলটের পরিচয় বা তিনি জীবিত না মৃত সে সম্পর্কে বিবৃতি কিছু জানানো হয়নি বলে জানায় বিবিসি।

তবে পিয়েস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে ‘এটা কোনো সন্ত্রাসী কাণ্ড নয়’ বলে দাবি করে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া উড়োজাহাজ উড্ডয়ন করা ২৯ বছরের ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

সিয়াটল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে ওই ব্যক্তিকে উড়োজাহাজ অবতরণে রাজি করার চেষ্টা করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে উড়োজাহাজটি আকাশে লক্ষ্যহীনভাবে উড়তে দেখা যাচ্ছে।

চুরি যাওয়া উড়োজাহাজ হরিজন এয়ারলাইন্সের ‘হরিজন এয়ার কিউ৪০০’ বলে জানায় তাদের পার্টনার আলাস্কা এয়ারলাইন্স।

আকাশে উড়াল দেওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ফাইটার জেট সেটির পিছু নেয়।

কেটরন দ্বীপের কাছে সাগরে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। দ্বীপের কাছেই একটি সামরিক ঘাঁটি আছে।

একটি অডিওতে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে চুরি যাওয়া উড়োজাহাজের পাইলটকে কতটুকু জ্বালানি আছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শোনা গেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য