ভাইরাস জ্বর রুখবে যেসব খাবারবর্ষা মানে কিন্তু কেবল বৃষ্টির রোমান্স আর প্রকৃতি ঠাণ্ডা হয়ে ওঠা নয়। বরং এই ঋতুর হাত ধরে ঘরে ঘরে সর্দি-কাশির সমস্যা, হজমজনিত অসুখ ইত্যাদিও হানা দেয়। তবে এই সময়ে অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন ভাইরাস জ্বরে।

এ জ্বরটি সহজে সারতেও চায় না। একবার জ্বর সারলেও দুর্বলতা থেকে যায় বেশ কিছু দিন। তবে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচতে পারবেন। জেনে নিন সে খাবারগুলোর কথা।

রসুন

ভাইরাস জ্বর থেকে বাঁচতে রসুন অত্যন্ত উপকারী। অ্যান্টি ভাইরাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণে ভরপুর রসুন ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমায়। যারা রসুন খান না, তারা গরম পানিতে রসুনের কোয়া ফুটিয়ে সেই পানির ভাপ নিশ্বাসের সাথে নিন। শ্বাসনালীর জটিলতা সারাতে ও ভিতরের শ্লেষ্মা বের করে আনতে এটি খুবই কার্যকর।

আমলকি

এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও ক্যালশিয়াম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আমলকির ভূমিকা অনেক। তাই বর্ষার ভাইরাস জ্বর থেকে বাঁচতে আমলকি খেতে পারেন প্রতিদিন।

আদা

শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে আদা। আদা দেয়া চা নিয়মিত খেলে এ উপকারটি পাবেন। এছাড়া এই সময় রান্নায় লঙ্কা কম ব্যবহার করে আদার ব্যবহার বাড়ান। আদার ঝাঁজ শরীরে যত পোঁছাবে, তত জীবাণুমুক্ত হবে শরীর।

টক দই

ভাইরাস জ্বরে প্রচুর অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়। এই জ্বরে শরীর দুর্বল হয় সহজেই। তাই প্রোবায়োটিক উপাদান সমৃদ্ধ টক দই বর্ষার এই মৌসুমে খেতে পারেন। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে দই কার্যকর।

কাঠবাদাম

চর্বি কমাতে কাঠবাদাম খুবই উপকারী। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ই, ভিটামিন বি-২ রাইবোফ্ল্যাবিন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস প্রভৃতি উপাদান শরীরকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। প্রতিদিন তিন-চারটি কাঠবাদাম রাখুন ডায়েটে। সহজে জ্বর হবে না।

পানি

যে কোনও বদহজমের সমস্যা কাটাতে ও শরীরকে সুস্থ রাখতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি খান। পানি শরীরকে জীবাণুমুক্ত করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য