ষ্টেরয়েড ছাড়াই গরু মোটাতাজাকরনে ব্যস্ত চিরিরবন্দরের গো খামারিরাচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) সংবাদদাতাঃ আর মাত্র ক”দিন পরেই ঈদুল আযহা (কোরবানীর ঈদ) তাই গরু মোটাতাজাকরনে উঠে পড়ে লেগেছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার গো খামারিরা তবে কোন প্রকার ষ্টেরয়েড বা ইনজেকশন ছাড়াই। আসন্ন ঈদকে টার্গেট করে উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ছোট বড় প্রায় দেড় শতাধিক ডেইরী ফার্ম এখন গরু মোটাতাজাকরনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

এছাড়া হোল্ডিং বাড়ী গুলোতেও চলছে একই প্রক্রিয়া। বরাবরের ন্যায় এবারও স্থানীয় কুরবানীর পশুর চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুরবানীর পশু সরবরাহের স্বপ্ন দেখছেন গো-খামারীরা। অল্প সময়ে কম পরিশ্রমে ষাঁড় মোটাতাজাকরন লাভজনক হওয়ায় অনেক বেকার যুবক ডেইরী ফার্মের পাশাপাশি হোল্ডিং বাড়ীতে বাজার থেকে ছোট আকারের ষাঁড় ক্রয় করে আনার পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরামর্শক্রমে লিভারমিজল, ট্রাইক্ল্যাবেন্ডাজল, এলবেন্ডাজল, ফেনবেন্ডাজল, নাইটসিনিল গ্রুপের কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহার করছে। পাশাপাশি নিয়মিত খাবার ও পরিচর্যার মাধ্যমে চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরন করছে।

এতে করে একদিকে যেমন নিজের বেকারত্ব দুর হচ্ছে অন্য দিকে দেশীয় আমিষের চাহিদা পুরন হচ্ছে অনেকাংশে।

খামারী সাতনালা গ্রামের ফিজার রহমান জানান, উন্নত জাতের গরুর পালনের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির গরুর মোটাতাজাকরন করতে কাঁচা ঘাস, চক্কর, ভুষি, খৈল, চালের গুড়া, তৈরী ফিট , ভুট্টার গুড়া ,শুকনো খড়সহ ভিটামিন, মিনারেল এবং শর্করা জাতীয় খাবার সরবারাহ করতে হয়।

তবে বর্তমান বাজারে গো খাদ্যের দাম অনেক বেশী হওয়ায় অনেকে এ পেশা থেকে আগ্রহ হারাচ্ছে। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, গো খামারীদের উদ্বুদ্ধ করতে খামারের প্রতিটি গরুকে নিয়মিত টিকা ও ঔষধ সরবরাহসহ সকল সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত মনিটরিং এর মাধ্যমে কেই যাতে ষ্টেরয়েড বা নিষিদ্ধ কোন ভিটামিন ইনজেকশন ব্যবহার না করতে পারে সেদিকটাও নজর দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য