ছবি সংগ্রহিত

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ নবম শ্রেনীর ছাত্রী ও দশম শ্রেনীর ছাত্র তিন বছর চুকিয়ে প্রেম করার পর নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করে যখন প্রেমের ফল ভোগ করছিল ঠিক তখনি চিরিরবন্দর থানার বেরসিক পুলিশ তাদের হানা দিয়ে থানায় তুলে এনে দু’জনকে আলাদা করে দিল।

ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের দামইর কালীগঞ্জ গ্রামে। পুলিশ জানায়, উপজেলার দামইর কালীগঞ্জ গ্রামের মোরছালিন ইসলামের কন্যা ও কালীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম বিজ্ঞান শ্রেনীর এক ছাত্রী গত তিন বছর ধরে ওই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্র ও রঘুনাথপুর গ্রামের মোজাম্মেল হকের পুত্র সোহেল রানার সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

তারা দু’জনে প্রেমের সমাপ্তি টানতে গত ২৯ জুলাই রবিবার সকালে প্রেমিকার মা ফেরদৌসী বেগমের সহযোগিতায় দিনাজপুর জেলার এক আইনজীবির মাধ্যমে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বয়স এফিডেভিট করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে প্রেমিকের মা শাহেরা খাতুন গত ৩১ জুলাই মঙ্গলবার চিরিরবন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে ওইদিন বিকালেই প্রেমিকার বাড়ী হতে প্রেমিক যুগল ও নব দম্পতিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

রাতে থানার গোল ঘরে দু’পক্ষের মধ্যে রাতভর দফায় দফায় বৈঠক শেষে রাত আড়াইটায় প্রেমিক সোহেল রানার এক লাখ টাকা জরিমানা হিসেবে প্রদানের মাধ্যমে নব দম্পত্তিকে আলাদা করা হয়।

পরে উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়ে ছেলের পরিবারের কাছে সোহেল রানা ও মেয়ের পরিবারের কাছে মেয়েকে হস্তান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারেসুল ইসলাম জানান, যেহেতু ছেলে মেয়ে দু’জনরই বয়স পূর্ন হয়নি সেহেতু তাদের এই বিয়ের গ্রহনযোগ্যতা না থাকায় দু’জনকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য