দিনাজপর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় আসন্ন ঈদুল আযাহাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিশ মিলে ১৩ হাজার ৫ শত ৮৭ টি কোরবানীর পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। যা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব পশু দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এবার উপজেলার সাড়ে ৪ হাজার কোরবানীর পশু জবাই করার লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করেছে উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ।

সেখানে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে উদ্বৃত্ত প্রস্তুত হয়েছে ৯ হাজার ৮৭টি। তবে গতবারের তুলনায় এবার কিছু বেশি কোরবানী হবে বলে মনে করছেন প্রাণি সম্পদ বিভাগ। উপজেলার কাহারোল হাট ও ১৩ মাই ল গড়েয়া হাটে কোরবানির পশু বিক্রির ব্যবস্থা করেছে উপজেলা প্রাশাসন। কাহারোল উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে ১৩৫ টি খামার রয়েছে। গরু রয়েছে ৬ হাজার ৬শত ৮টি, গাভী রয়েছে ১ হাজার ২ শত ২১টি, ও ছাগল রয়েছে ৫ হাজার ৬ শত ৫৮টি।

কাহারোল উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ তারিক হোসেন জানান, কাহারোল উপজেলায় ৩ শত ২৪টি স্থান কোরবানি পশু জবাই করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কাহারোল উপজেলার সর্ববৃহত কাহারোল হাট শনিবারে বড় ধরনের পশু বিক্রি হয়ে থাকে। ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান হতে পাইকারি ক্রেতারা এই হাটে এসে পশু কিনে নিয়ে যায়। তা ছাড়া ক্রেতারা কিছু কিছু খামার থেকে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা জানান, কোরবানির পশুর হাটে প্রাণি সম্পদ বিভাগের মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছারা ক্রেতা বিক্রেতাদের সচেতনতার জন্য ইতি মধ্যেই প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেই বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল না দেওয়ার জন্য ফুড মালিকদের সঙ্গে বৈঠকসহ অসুস্থ পশু জাতে বাজারে না আসে সেই জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

কাহারোল উপজেলার আব্দুল হালিম প্রায় ৮০টি গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছে। প্রাণি সম্পদ বিভাগের পরামর্শে পুষ্টিকর খাবার, খৈল, গম, ভুষি, ছোলা সহ সবুজ ঘাস খাইয়ে খুব সহজেই গোবাদি পশু মোটা তাজা করণ করছেন। তার মতো উপজেলায় অনেক খামারি গরু মোটা তাজা করন করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য