নীলফামারীর ডিমলায় সোমবার সকালে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি স্বামীর বাড়ীতে আটকে রাখা অসুস্থ্য নববধু স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন ডিমলা থানা পুলিশ।

জানাগেছে, উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি গ্রামের সুভাষ চন্দ্র রায়ের কন্যা ও সৈকত নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী সুধা রানীর সাথে একই এলাকার ননীভুষন রায়ের পুত্র জয়কান্ত রায়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

প্রেমের সুত্র ধরে দৈহিক মেলামেশায় সুধা রানী অন্তসত্বা হয় এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে প্রেমিক জয়কান্ত গত ৮ জুলাই সুধা রানীকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। বিয়ের পর সুধা রানীকে সুকৌশলে পাশ্ববর্তী হাতিবান্ধা উপজেলায় নিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে।

গর্ভের সন্তান নষ্টের কারনে সুধা রানী অসুস্থ্য হলে চিকিৎসা না করে স্বামীর বাড়ীতে আটকে রাখে। অসুস্থ্যতার খবর পেয়ে সুধা রানীর পরিবারের লোকজনকে দেখা করতে গেলে তাদের বাড়ীতে প্রবেশ করতে দেয়নি স্বামীর বাড়ীর লোকজন।

বিষয়টি নিয়ে সুধা রানীর কাকা ধরঞ্জয় রায় বাদী হয়ে ডিমলা থানায় ৬জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ডিমলা থানা পুলিশ সুধা রানীকে স্বামীর বাড়ী থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য