দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বিরলের পল্লীতে এক কলেজ ছাত্রী দু’দফায় গণধর্ষণের অভিযোগে অবশেষে ৬ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধারের পরদিন হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এজাহারভূক্ত ২ জন আসামীকে শনিবার রাতে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আরজি অনন্তপুর গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কন্যা ও জয়পুরহাট নবেল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর সিভিল ইঞ্জিনিযারিং বিভাগের ৫ম সেমিষ্টারের এক ছাত্রী বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউপি’র মোহনপুর গ্রামের আফজালের পুত্র পিনাক (২৩) নামের এক প্রেমিকের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক ধরে তাঁকে খুঁজতে এসে মঙ্গলপুর বাজার এলাকায় কুখ্যাত নারীখ্যাকো মজিবর এর দোকান ঘরে দু’দফায় গণধর্ষণের শিকার হয়।

জীবন বাঁচাতে মঙ্গলপুর বাজার থেকে রিক্সা-ভ্যানযোগে গভীর রাতে পালিয়ে আসার সময় ধুকুরঝাড়ী বাজার এলাকায় কর্তব্যরত টহল পুলিশ তাঁকে আটক করলে ধর্ষণের লোমহর্ষক বর্ণনা জানালে পুলিশ ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিযে আসে।

শনিবার রাতে ধর্ষকদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভূক্ত আসামী বিরল উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের পুত্র মিরাজুল ইসলাম মিজান (৩০) ও একই গ্রামের মৃত গলিয়া মোহাম্মদের পুত্র মফিজুল হক (৩২) কে আটক করে রবিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।

রবিবার দুপুরে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষিতার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয় এবং পরিবারের নিকট তাঁকে থানা পুলিশ হস্তান্তর করে।

বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ এ টি এম গোলাম রসুল জানান, মোহনপুর গ্রামের মৃত সোলেমানের পুত্র নারীখ্যাকো মজিবরসহ মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য