উপজেলা আনসার কোম্পানি কমান্ডার ও অঙ্গীভূত আনসার ওয়াহাব এখন ইউপি মেম্বারগোলাম মোস্তফা রাঙ্গা, কুড়িগ্রাম থেকেঃ ২০১৬ সালের ৭ মে তারিখ অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে থেতরাই ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন উলিপুরের উপজেলা আনসার কোম্পানি কমান্ডার মোঃ আল কামাল আব্দুল ওয়াহাব। তিনি এখন অঙ্গীভূত আনসার হিসাবেও চাকরী করছেন। তার স্মাটকার্ড নং-৬৩৫৫৩। ১৯৯১ সালে ১৫ নভেম্বর হতে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

তিনি ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ তারিখে উলিপুর উপজেলাধীন নিজাইখামার গ্রামে ১০ মেয়াদী গ্রামভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। রাজশাহীর নওহাটা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২০১১ সালের ৮ জানুয়ারি ২৮ দিন মেয়াদি, ২০১২ সালের ৭ জানুয়ারি ২৮ দিন মেয়াদি এবং ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারি ১৪ দিন মেয়াদি মোট ৩বার উপজেলা আনসার কোম্পানি সতেজকরণ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৯১ সালে থেতরাই উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৯৩ সালে উলিপুর সরকারী ডিগ্রি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করেন। ১৯৯৭ সালে কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ হতে বিএসএস পাশ করেন।

তিনি ২০১৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। তবুও তিনি হতাশ না হয়ে পরবর্তীতে ২০১৬ সালে পুনরায় নির্বাচন করেন এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।

তার জনপ্রিয়তার কারণে মেম্বারদের ভোটে তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি এলাকায় খোকা নামেই পরিচিত। কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের কিশোরপুর গ্রামের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিদর্শক আবুল কাশেম ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগমের সন্তান। ২ ভাই ও ১ বোনে মধ্যে খোকা সবার বড়। ছোটভাই মোঃ রহিম খোকন একজন ব্যবসায়ী।

তিনি আনসার কোম্পানি কমান্ডার হওয়ায় নিজ এলাকার হত-দরিদ্র ব্যক্তিদের বিপদে আপদে সহায়তা করায় এলাকার মানুষ তার এধরণের কাজে মানুষ বিমুগ্ধ হয়ে পড়েন এবং এলাকার আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাসহ সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসায় তিনি আনসার মেম্বার নির্বাচিত হযেছেন।

বিবাহিত জীবনে তিনি ২ সন্তানের জনক। বড়ছেলে আল রাফিন মুগ্ধ পলিটেনিকেল-এ অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে আল সাফিন সিনিগ্ধ রংপুরে এইচএসসি ১ম বর্ষে অধ্যায়নরত।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য