দিনাজপুরে ২দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮’র বর্ণাঢ্য উদ্বোধনদিনাজপুর সংবাদাতাঃ দেশব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সহযোগিতায় ২০ জুলাই শুক্রবার বিকাল ৫টায় দিনাজপুর ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে ২দিন ব্যাপী ‘সৃজনে উন্নয়নে বাংলাদেশ’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮’র বর্ণাঢ্য উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও দিনাজপুরের কৃতি সন্তান মোঃ নুরুল ইসলাম।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা, পুলিশ সুপার মোঃ হামিদুল আলম বিপিএম, রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত দিনাজপুরের কৃতি নাট্যজন কাজী বোরহান, দিনাজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউর রহমান রেজু, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ তৌহিদুল ইকবাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ জয়নুল আবেদীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও দিনাজপুরের কৃতি সন্তান মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, সবাইকে সৎ মন ও সৎ মানসিকতা নিয়ে এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

এ উৎসবের প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এ উৎসব মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরূদ্ধে। মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরূদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ মেসেজ সর্বত্র পৌছে দিতেই সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সমাজ থেকে মাদক ও জঙ্গিবাদ দূর হলে আমাদের সকল আয়োজন সফল ও স্বার্থক হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।

২ দিন ব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২০ জুলাই শুক্রবার প্রথম দিন জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর বিকাল ৫টা হতে ৬টা পর্যন্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দিনাজপুরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্যে ছিল গণসংগীত, দেশাত্ববোধক গান, রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, আধুনিক গান, নৃত্যানুষ্ঠান, মুকাভিনয়, পাঠাভিনয় (জঙ্গিবাদ বিরোধী), কবিতা আবৃতি ও কৌতুক। একইভাবে ২১ জুলাই শনিবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় থাকবে লালনগীতি, পল্লীগীতি, লোকগীতি, বাউল গান, দিনাজপুর জেলার আঞ্চলিক গান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবেশনার নৃত্য, জেলার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা (কবি গান) এবং রাত ৮টায় সমাপনী অনুষ্ঠান সনদপত্র বিতরণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য