ফাইল ফটো

ডেক্স রিপোর্টঃ তীব্র গরমে অতিষ্ঠ দিনাজপুর জেলাবাসী। আষাড় মাসে গড়ে মোট ৫ দিন বৃষ্টিপাত হয়েছে, তারপর থেকে বৃষ্টির আর কোন লক্ষন নেই। আকাশে শরৎ কালের মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে, মেঘ দেখে বোঝার উপায় নেই এখন বর্ষাকাল চলছে। ২০ জুন শুক্রবার দিপুর ২টায় দিনাজপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৬ ডিগ্রি. সে. নির্ধারন করা হয়।

রংপুর বিভাগ সহ দেশের উত্তরাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তিব্র দাবদাহ। আর সহসাই এই গরম থেকে নিস্তার মিলছে না। বিভাগীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুযায়ী এ মাসের শেষে মৌসুমি বায়ুর অগমনে শ্রাবণ মাসে কিছু বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

তীব্র গরমে মানুষের জন জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। কয়েকদিনের প্রচন্ড রোদে সাধারন মানুষ বাইরে বের হতে পারছে না। ব্যবসায়ীদের বেচা-কেনা অনেকাংশে কমে গেছে। সাথে সাথে বেড়েছে বিভিন্ন প্রকার আবহাওয়া পরিবর্তন জনিত রোগ। সর্দি-কাশী, এ্যাজমা, বমি, হাপানি, ডায়রিয়া প্রকোট আকার ধারন করেছে।

অধিকাংশ ক্লিনিক ও ডাক্তার খানা গুলোতে এধরনের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঔষধের ফার্ম্মেসীর দোকান গুলোতে চলছে গরমে অসুস্থ্য হওয়া বেশীর ভাগ রোগের ঔষধ বেচাকেনা।

এদিকে তিব্র গরমের সাথে সাথে চলছে বিদ্যুৎতের ভয়াবহ লোডশেডিং। একদিকে তাপদাহ অপরদিকে বিদ্যুৎতের ভয়াবহ লোডশেডিং ফলে বিদ্যুৎ ও গরমের কারণে সিমাহীন দূর্ভোগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বচল থাকলেও সরবরাহের ক্ষেত্রে রয়েছে অস্বাভাবিক। ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে ব্যবসা বানিজ্য সহ স্থবির হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কার্যক্রম। এলাকার মানুষ বর্তমানে বিদুৎ ও গরমের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর অনুযায়ী জালাই মাসের শেষ দিক থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য