দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বর্তমান সরকার যেখানে দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাতে নির্লসভাবে কাজ করছেন সেখানে ৫৬ (ছাপ্পান) বছর পেরিয়ে গেলেও জোটেনি দিনাজপুর হাউজিং এস্টেটের ক্ষতিগ্রস্থ ও ভোগদখলে থাকা ভুমিহীন পরিবার গুলোর বাসস্থান ।

ক্ষতিগ্রস্থ ও ভোগদখলে থাকা ভুমিহীন পরিবার গুলো প্লট স্থায়ী ভাবে বরাদ্দ নেয়ার দাবিতে দির্ঘদিন যাবত সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন করেও মিলছে না ক্ষুদ্র প্লট । ভুক্তভোগীরা এ অভিযোগ এর সাথে আরো জানান যাদের আছে মামা-ভাগ্নে তাদের খুব সহজেই মিলে যায় ।

তারা ( ভুক্তভোগীরা ) আরো জানান , সমাজের বিত্তবানরা সহরে তাদের একাধিক বাসস্থান থাকলেও কখনো আইন ভোঙ্গ করে নয়তো কখনো বা আইন তৈরী করে ক্ষতিগ্রস্থ ও ভোগদখলে থাকা ভুমিহীন পরিবার গুলোকে সর্বহারা করতে ব্যাস্তসময় পার করে তাদের সহযোগীতায় থাকে কিছু দালাল চক্র তাদের পরিচয় যখন যে দল ক্ষমতায় তখন সে দলের প্রতিনিধি হয়ে নিজ সার্থ হাসিল করা ।

এসব থেকে মুক্তি পেতে ক্ষতিগ্রস্থ ও ভোগদখলে থাকা ভুমিহীন পরিবার গুলো মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সহ জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন । তারা আরো জানান,আমরা নিজের দেশেই আজ রুহিঙ্গা হয়ে আছি।

আমরা জাতীয় গৃহায়নের প্লটে বসবাসকারী ক্ষতিগ্রস্থ্য ও ভূমিহীন পরিবাররা সরকারী নিয়ম ও বর্তমান মূল্য বজায় রেখে প্লট গুলো বরাদ্দ পেতে ইচ্ছুক এ ছাড়াও সরকারী নিয়ম কানুন মেনে আমরা একাধীকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি। যার রিসিভ কপি আমাদের কাছে সংরক্ষণ আছে।

আলহাজ্জ আব্দুল মতিন ( মুক্তিযোদ্ধা ) জানান , ক্ষতিগ্রস্থ ও ভোগদখলে থাকা ভুমিহীন পরিবার গুলোকে প্লট গুলো বরাদ্দ প্রদান করলে সরকার বাহাদুরকে উচ্ছেদ অভিযানে জড়াবার মত পরিস্থিতিতে পড়তে হবেনা। সেই সঙ্গে উচ্ছেদ পক্রিয়ার জন্য সরকারের অর্থনৈতিক অপচয় হবেনা। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্থ্য ও ভূমিহীন পরিবার গুলো মাথা গুজার ঠাই নিশ্চিত হবে পাশাপাশি কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই সরকারের রাজস্ব আদায় হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য