সদ্যসমাপ্ত ১৪ তম ইউরেশিয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গ্রান্ডপিক্স পুরস্কার জিতলো বাংলাদেশি নির্মাতার ছবি ‘মীনালাপ’।

৬ জুলাই শেষ হলো ১৪ তম ইউরেশিয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এটি ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ফিল্ম প্রডিউসার এ্যাসোসিয়েশন (FIAPF) স্বীকৃত এশিয়ার পূর্ণদৈর্ঘ্য এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সর্ববৃহৎ উৎসব।

উৎসবের এবারের আসরে স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে গ্রান্ডপিক্স পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশি নির্মাতা সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মীনালাপ’।

এই প্রথম উপমহাদেশের কোন নির্মাতার চলচ্চিত্র এই উৎসবে পুরস্কৃত হলো।

২৮ মিনিট দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ‘মীনালাপ’ এর কাহিনী এগিয়েছে আশায় আবর্তিত শহুরে নিঃসঙ্গ জীবনের মুহূর্তগুলো নিয়ে।

পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে পুনে শহরে আসা গার্মেন্টসে কর্মরত একটি বাঙালি দম্পতির অনাগত সন্তান ভূমিস্ট হওয়ার আগ মুহূর্তগুলো চলচ্চিত্রটিতে উঠে এসেছে।

ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া এর প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য এবং পরিচালনা করেছেন সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় পরিচালক সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি গ্লিটজকে বলেন, “ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাণ ও চিত্রনাট্য রচনার ওপর আমি একটি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেছি। তাদের অধীনেই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করি।

চলচ্চিত্রটি এমন একটি পুরস্কার জিতবে তা আমার প্রত্যাশার বাইরে ছিলো। পড়াশোনা শেষে কমিটি ছবিটা সিলেক্ট করেছে সেটাই অনেক বড় পাওয়া ছিলো। সে তুলনায় গ্রান্ডপিক্স পাওয়া বলবো অভাবনীয় একটা পাওয়া।

এ সাফল্য আমার বন্ধুদেরও যারা আমার টিম হয়ে সাথে ছিলো। আমার জন্য এটা খুব বিউটিফুল একটা স্টার্ট।”

‘মীনালাপ’ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণে ছিলেন অর্চনা গাঙ্গরেকর, শব্দ গ্রাহণে স্বরূপ ভাত্রা, শিল্প নির্দেশনায় হিমাংশী পাটওয়াল এবং সম্পাদনায় ছিলেন ক্ষমা পাডলকর। ‘মীনালাপ’ এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিতাস দত্ত, প্রমিত দত্ত, বিবেক কুমার এবং দেভাস দীক্ষিত।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য