কুড়িগ্রাম-৩ আসনের উপ- নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা নির্বাচন অফিস সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোছাঃ সুলতানা পারভীন, পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম, রিটার্নিং অফিসার জিএম সাহাতাব উদ্দিন, সহকারি রিটার্নিং অফিসার জাহাঙ্গীর আলম রাকিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ডা: আক্কাছ আলী সরকার, আওয়ামীলীগ প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মতিনসহ নেতাকর্মিদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এ আসনের উপ-নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তফশিল অনুযায়ী আগামী ২৫ জুলাই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৩ আসনটি উলিপুর উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়ন ও চিলমারী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন (রমনা, থানাহাট, চিলমারী ও রাণীগঞ্জ) নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫ জন। গত ১০ মে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মাইদুল ইসলামের মৃত্যুতে এ আসনটি শূন্য হয়। গত ১০ জুন নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

প্রতীক বরাদ্দের পরেই শুরু হয় মাইকিং ও মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা। উপ-নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলার সর্বত্রই চলছে ভোটের আমেজ। গ্রামের ভোটারদের মাঝে তেমন ভোট নিয়ে মাতামাতি না দেখা গেলেও শহরের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজার গুলাতে চলছে ভোটের নানা আলোচনা।

নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে জেতাতে চলছে নানা চুলচেড়া বিশ্লেষণ। ক্ষতমাসীন আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। সেইসাথে পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির কর্মী সমর্থকরাও।

নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কুড়িগ্রাম-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী দিলেও মহাজোটের কারণে আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়। দীর্ঘদিন পর এ আসনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনি যুদ্ধে অংশ নেয়ায় আসনটি নিজের দখলে নিতে মরিয়া আওয়ামীলীগ। জাতীয় পার্টিও আসনটি ধরে রাখতে চালাচ্ছেন ব্যাপক তৎপরতা। ফলে এ দুই দলের দলের কর্মী সমর্থকরা অনেকটাই উজ্জীবিত।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য