দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বৃহত্তর দিনাজপুরের ৩ জেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষের জন্য ২টি আন্তঃনগর ট্রেনে মাত্র ২০টি বগি। চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা। অবিলম্বে পর্যাপ্ত বগি সংযোজনের দাবী। দিনাজপুর ষ্টেশনের জন্য বরাদ্দ ২টি ট্রেনের মাত্র ৪৮০টি সিট। যা বিপুল পরিমাণ সিটের চাহিদার বিপরীতে অনেক কম।

দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের সুপার শেখ আব্দুল জব্বার জানান, গত ঈদ থেকে বৃহত্তর দিনাজপুরের একতা ও দ্রুতযান ২টি আন্তঃনগর ট্রেন অতিরিক্ত বগি সংযোগ না করায় যাত্রীদের মাঝে টিকেট নিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

চাহিদা থাকা সত্বেও জেল জরিমানা দিয়ে ঠেকানো যাচ্ছে না টিকেট কালোবাজারীদের। এত কিছুর মধ্যেও ষ্টেশন সুপারের যোগ্য নেতৃত্বের কারণে যাত্রীদের হয়রানি বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যাত্রীরা ষ্টেশন মাষ্টারের সহযোগিতার কারণে নির্বিঘেœ টিকেট পাচ্ছেন। আগামী ঈদ-উল আযহার আগেই ২টি আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত বগি সংযোগ করার জন্য রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে বৃহত্তর ৩টি জেলার মানুষ আহ্বান করেছেন।

দিনাজপুর থেকে ঢাকা গামী দুটি আন্তঃনগর ট্রেন ছেড়ে যায়। ট্রেন দুটি হচ্ছে একতা ও দ্রুতযান। একেকটি ট্রেনে আসন রয়েছে ৮৬০ টি করে। দিনাজপুর ষ্টেশনের জন্য বরাদ্দ একতায় ২৪০ টি ও দ্রুতযানে ২৪০টি। এর মধ্যে শোভন চেয়ার ১৭০ টি, এসি বাথ ১২ টি নন এসি বাথ ১২ টি ও সিনিগ্ধা ৪৫ টি। কিন্তু বৃহত্তর দিনাজপুরের চাহিদা দ্বিগুনের চেয়েও অনেক বেশী। প্রতিদিন শত শত যাত্রী টিকিট নিতে এসে টিকিট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।

নিয়ম অনুয়ায়ী বরাদ্দ কৃত টিকিটের মধ্যে ২৫ শতাংশ টিকিট এসএমএসের মাধ্যমে বিক্রির জন্য ১০ দিন আগে অন লাইনে ছেড়ে দিতে হয়। বাকী টিকিট কাউন্টারে বিক্রি হয়ে থাকে। এর মধ্যে যে টিকিট গুলো থাকে তা অনলাইনে শতভাগ ছেড়ে দিতে হয়।

ফলে কিছু মুনাফা লোভি মোবাইল কোম্পানীর এজেন্ট টিকিট গুলো কেঁটে নিয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে থাকে। এর অপবাদ নিতে হয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রানের জন্য জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় ৮ জন টিকিট কালো বাজারিকে একাধীকবার জেল দিয়ে ও জরিমানা করেও তাদের রোধ করা যায়নি। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে রেলওয়ে বুক ষ্টোল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য