হাকিমপুর ( দিনাজপুর) সংবাদদাতাঃ দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি স্থল বন্দর পথে ভারত থেকে আমদানীকৃত আটকেপড়া চাল খালাস করা নিয়ে ২য় দিনের মতো আন্দোলনে নেমেছেন ভারতীয় ট্রাক চালক ও খালাসীরা (হেলপার)।

মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় হিলি স্থলবন্দর থেকে আটকে পড়া ট্রাকগুলির ৪ শতাধিক চালক ও খালাসীরা (হেলপার) সীমান্তের চেকপোষ্টে এসে প্রতিবাদ জানিয়ে সকল প্রকার আমদানীকৃত পণ্য বোঝাই ট্রাক প্রবেশ বন্ধ করে দেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের চালগুলি খালাস করা হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর পথে সকল প্রকার পণ্য বোঝাই আমাদীনকৃত ট্রাক প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলেও তাদের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয় ফলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে।

তবে বন্দরের আভ্যন্তরিণ পণ্য লোড আনলোডের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। সূল্ক জটিলতার কারণে হিলি স্থলবন্দরে দীর্ঘ ২৮ দিন যাবত ভারতীয় ২১৯টি ট্রাকে ৭ হাজার ৫০০ মে. টন চাল আটকে রয়েছে।

আমদানীকারকরা শূল্ক কমানোর আশায় আমদানীকৃত চাল বোঝাই ট্রাকগুলি থেকে চাল খালাস না করায় এর প্রতিবাদে তারা এই আন্দোলনের ডাকদেন। সোমবার বিকেলে তারা এই আন্দোলনের ডাক দিলে ৩ ঘন্টা পণ্য আমদানী রপ্তানী বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার তাদের চালগুলি খালাস করা হবে এমন আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সোমবার বিকালে তাদের কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নেন। আন্দোলনরত ট্রাক ড্রাইভার ও খালাসীদের দাবী দীর্ঘ ২৮ দিন যাবত চালগুলি খালাস না করায় তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এব্যাপারে হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানী কারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, চলতি অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট ঘোষনার আগে যেহেতু চালগুলির আমদানী করা হয়েছে এবং কাষ্টমস বিভাগের গাফিলাতির কারণে তাদের চালগুলি ছাড় করা হয়নি সেহেতু তারা ২৮% ডিউটি’র পরিবর্তে ২% ডিউটিতে ছাড় করনের দাবী জানিয়ে আসছেন। এবং তারা এব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আবেদনও করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য