গল্পটা চিঠির যুগ পেরিয়ে মুঠোফোন এমনকি সর্বশেষ ইন্টারনেটের যুগেরও। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বদলে যাওয়া সম্পর্ক ও পারিপার্শ্বিকতার গল্পে নির্মিত হলো নাটক ‘পারুল লতা’। নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার প্রসূন রহমানের গল্পে নাটকটি নির্মাণ করেছেন তপু খান।

আগামী ৩ জুলাই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি’র ১৬বছরে পদার্পন উপলক্ষে দিনটিতে বিশেষ নাটক হিসেবে প্রচারিত হবে ‘পারুল লতা’। নাটকটিতে জুটি বেঁধেছেন দুই প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আফজাল হোসেন ও তিশা।

চলতিবছরের শুরুতে মানিকগঞ্জ বেতুলিয়া জমিদার বাড়ি, আমিন বাজার ও রাজধানীর বেশকিছু লোকেশনে টানা পাঁচদিন চিত্রায়িত হয় নাটকটি।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, অনেকদিন আগে আশফাক হাবিব নামে একজন কবি’র আবির্ভাব ঘটেছিলো শহরে। তার প্রেমের কবিতা পেয়েছিল দারুণ জনপ্রিয়তা। পারুল নামের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক তরুণীও প্রেমে পড়েছিলো তার। তখন চিঠি লিখে যোগাযোগ করতো তারা এক অপরের সাথে। সেই চিঠিতেও থাকতো কবিতা।

এরপর আসে মোবাইল ফোনের যুগ। সে যুগে এসে একসময় চেনা পথ থেকে ছিটকে পড়ে দু’জনেই। ক্রমশ তারা হারিয়ে যায় অচেনা সংসারে। পরের গল্প এক কুড়ি বছর পরের সময়। তখন ফেসবুক বলে যোগাযোগের নতুন একটা মাধ্যম এসেছে। সেখানে আবার তাদের দেখা হয়।

কবি জানায়, সে এখন আর কবিতা লেখেনা। কবিতা হারিয়ে গেছে এ শহর থেকে। একটা সময় ছিল, যখন পাখিরা ঘুম ভাঙাতো এ শহরে। ফুলে ফুলে ভরে থাকতো নগরীর উদ্যান। এ শহর এখন আর পাখির নয়, ফুলের নয়, এ শহরে পারুল ফোটেনা।

নির্মাতা তপু খান গ্লিটজকে বলেন, “নাটকটিতে সময়ের পরিবর্তনের গল্প দেখানো হয়েছে। যোগাযোগমাধ্যমের পরিবর্তনের সাথে সাথে সময়ের বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক মূল্যবান কিছুই যে হারিয়ে যায়, তা দেখানো হয়েছে একজন কবি চরিত্রের ভেতর দিয়ে। এটা শুধু প্রেমের গল্প নয়, প্রেমের বাইরেও এখানে আমাদের সংস্কৃতির অনেকগুলো পরিবর্তনের চিত্র ফুটে উঠেছে।”

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য